সিলেটে পুলিশের এক কর্মকর্তার কলেজ পড়ুয়া ছেলেকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগে ৩ কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। কয়েকদিন আগে তাদের বরখাস্ত করা হয়। বৃহস্পতিবার সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যমের অতিরিক্ত দায়িত্বে) সুদীপ দাস বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বরখাস্ত হওয়া তিন কনস্টেবল হলেন-এসএমপিতে কর্মরত মো. ঝুনু হোসেন জয় (বিপি-০১২০২৩৬৪২৪), ইমরান মিয়া (বিপি-০১২০২৩৫৫৪৭) ও মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (বিপি-০০২০২৩০৯৯৯)। 

এসএমপি সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ অক্টোবর শহরতলীর মেজরটিলার বাসিন্দা ও বর্তমানে পুলিশ সদর দপ্তরের পিআইও শাখায় কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক আবু সায়েদের কলেজ পড়ুয়া ছেলে সাইফুর রহমান আসাদ ও তার এক বন্ধুকে শাহজালাল (রহ.) মাজার এলাকায় তিন পুলিশ সদস্য ঝাপটে ধরেন। আসাদের কাছে থাকা একটি ব্যাগ তল্লাশি করে পুলিশ সদস্যরা তার কাছে ইয়াবা পেয়েছেন বলে দাবি করেন। পরে শাহপরান থানার এক পুলিশ কর্তকর্তার হস্তক্ষেপে কোতোয়ালি থানায় নিয়ে মুছলেকা দিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। ওইদিন আসাদ ও তার বন্ধু একটি মোবাইল ফোন বিক্রির টাকা নিতে মাজার এলাকায় গিয়েছিলেন বলে জানান। 

পরবর্তীতে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা ও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেন আসাদ। অভিযোগের তদন্ত করেনে এসএমপি পুলিশ লাইনের এডিসি (ফোর্স) সালেহ আহমদ। তিনি গত ২৪ নভেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে অভিযোগের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় ওই তিন কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় বলে জানা গেছে।

এসএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার সুদীপ দাস জানান, তিন পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ লাইন্সে যুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।