দেশব্যাপী বিশেষ অভিযানে নেমেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই অভিযান ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। এরই মধ্যে পুলিশ সদরদপ্তরের অপারেশন্স শাখা থেকে ৬৪ জেলার পুলিশ সদস্য ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সব ইউনিটকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

তবে বিএনপির অভিযোগ, তাদের নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করতে এই অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে পুলিশের ভাষ্য- এটি রুটিন ওয়ার্ক।

পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. হাসানুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক আদেশে বলা হয়, ঢাকার আদালত এলাকা থেকে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত দুই জঙ্গি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় সৃষ্ট প্রেক্ষাপট বিবেচনা, বিজয় দিবস, বড়দিন এবং থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে এই অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এই আদেশ অনুযায়ী আবাসিক হোটেল, মেস, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি সেন্টারসহ অপরাধীদের সম্ভাব্য লুকিয়ে থাকার সব স্থানে এই অভিযান চলবে। জঙ্গি, সন্ত্রাসী, মাদকসেবী ও কারবারি, অবৈধ অস্ত্রধারী, পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার এবং মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করার নির্দেশ দেওয়া হয় মাঠ প্রশাসনকে।

এ ব্যাপারে পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) মঞ্জুর রহমান সমকালকে বলেন, এই ধরনের অভিযান সব সময় হয়ে থাকে। এটি পুলিশের রুটিন ওয়ার্ক। অনেক সময় প্রতি মাসেও এমন অভিযান পরিচালনা করার নির্দেশনা দেওয়া থাকে। এবারের অভিযানও ভিন্ন কিছু নয়।

পুলিশের আরেক কর্মকর্তার ভাষ্য, ডিসেম্বর মাসে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও বিজয় দিবসসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান রয়েছে। ডিসেম্বর মাসে সব সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। এবারও তার ব্যত্যয় হবে না।

পুলিশ সদর দপ্তরের চিঠি পাওয়ার কথা জানিয়ে ঢাকার পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, প্রতি মাসেই সাত দিন পুলিশ সদর দপ্তর থেকে নিয়মিত বিশেষ অভিযান চালানোর নির্দেশ দেয়।

তিনি আরও বলেন, ডিসেম্বর বিজয় দিবসসহ অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ দিবস রয়েছে। এ কারণে এই মাসে ১৫ দিন বিশেষ অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।