রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আজ অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রলীগের সম্মেলন। এ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ এই শাখার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ শীর্ষ পদ পেতে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন নেতাকর্মীরা। চলছে জোর তদবির। বিগত দিনে দলের প্রতি ত্যাগ এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনে দলের জন্য ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পদ পেতে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। এরই মধ্যে ইউনিট দুটিতে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন মোট ৩৪০ জন পদপ্রত্যাশী।

এর মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি পদে ৮৫টি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ১০২টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়। মহানগর দক্ষিণে সভাপতি পদে ৮৩ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৭০ জন মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। এই দুই শাখার মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে ১৭ লাখ টাকা আয় করেছে ছাত্রলীগ।

প্রার্থিতার দৌড়ে আছেন যাঁরা :এবার ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের শীর্ষ পদের দৌড়ে বেশ কয়েকজনের নাম আলোচনায় শোনা যাচ্ছে। তাঁরা হলেন- মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ধানমন্ডি থানা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজিবুল ইসলাম বাপ্পি, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের উপ-অর্থ সম্পাদক সাজন সিকদার, ত্রাণ ও দুর্যোগবিষয়ক সম্পাদক শিশির দাস, মহানগর উত্তরের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সালমান খান প্রান্ত, মিরপুর থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী আল ইমরান, আদাবর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ মাহমুদ, ঢাকা মহানগর উত্তরের সহসভাপতি এনামুল হাসান সম্রাট, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সভাপতি মেহেদী হাসান, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল মোল্লা, মহানগর উত্তরের সহসভাপতি তিতাস উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাঈনুল আহসান রকি, তৌহিদুজ্জামান নোবেল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাঈম রেজা সাদ্দাম, মহানগর উত্তরের সহসভাপতি নির্বাণ বিশ্বাস, ক্যান্টনমেন্ট থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান জনি, মহানগর উত্তরের সহসভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ সুমন, মহানগর উত্তরের সহসভাপতি মেহেদী হাসান অভি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফছার নাদিয়ান অনিম, শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক শুভ অধিকারী, সদস্য মো. একরামুল করিম একরাম প্রমুখ।

দক্ষিণ ছাত্রলীগের শীর্ষ পদে যাঁদের নাম শোনা যাচ্ছে তাঁরা হলেন- ছাত্রলীগের উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও কবি নজরুল কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাঈনুল হাওলাদার, মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সহসভাপতি শাহাদাত হোসেন শাওন, বারেক হোসেন আপন, মো. হাফিজুর রহমান বিপ্লব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম রাকিবুল হাসান, ফজলুল করিম মিরাজ, নিবাস মজুমদার, ইয়াসির আরাফাত, খন্দকার খালিদ হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক জুবায়ের হোসেন মনি, আল হাসান শোভন, ধর্মবিষয়ক উপসম্পাদক এসএম মেহেদী হাসান, কোতোয়ালি থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী রেদোয়ান তালুকদার, রমনা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব হাসান, সূত্রাপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি সজল কুণ্ডু, মহানগর দক্ষিণের আইন সম্পাদক মো. নাদিম সুলতান, উপগণযোগাযোগ ও উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক আবদুল্লা আল মামুন প্রমুখ।

প্রার্থিতার দৌড়ে আছেন বিতর্কিতরাও :মহানগর ছাত্রলীগের প্রার্থিতার দৌড়ে আছেন এমন বেশ কয়েকজন বিতর্কিত পদপ্রত্যাশীর নাম শোনা যাচ্ছে। এই তালিকায় শুরুতেই আছেন রাজধানীর সরকারি বাঙলা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম রাহুল। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন ভাসানটেক ধামালকোট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন রকিবুল ইসলাম রাজু, রূপনগর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মারুফ হোসেন মিঠু, মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সহসভাপতি সাব্বির হোসেন, আরেক সহসভাপতি আরিফুল ইসলাম আরিফ, মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক সোহেল মিয়া ও উপদপ্তর সম্পাদক জ্যাকওয়ান হোসেন।