লম্বা চুলের, কোমল চেহারার লিওনেল মেসির বিশ্বকাপ শুরু ২০০৬ সালে। সেবার বদলি হয়ে বিশ্বকাপ শুরু হয়েছিল তার। অল্প সময় খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। লিও’র মতে, খেলতে না পারার চাপা রাগে ফুঁসছিলেন তিনি। ২০১০ সালে তারকা হিসেবে তার বিশ্বকাপ যাত্রা। ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত পরের বিশ্বকাপে তো ফাইনালই খেলেছেন তিনি।

তবু ওই সব বিশ্বকাপের চেয়ে মেসি কাতারে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপকে নিজের সেরা বলে মন্তব্য করেছেন। বিশ্বকাপে সেরা সময় কাটাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। ক্যারিয়ারের হাজারতম ম্যাচ খেলেছেন। আগের চার আসরে নকআউট পর্বে গোল করতে পারেননি। এবার নকআউটে গোল করে অস্ট্রেলিয়াকে বিদায় করে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছেন।

চার ম্যাচে তিনটি গোল পেয়েছেন। এসব অবশ্য তার সেরা বিশ্বকাপ কাটানোর কারণ নয়। তার তিন সন্তানের একসঙ্গে এটা বাবার খেলতে দেখা প্রথম বিশ্বকাপ, তারা জয় উপভোগ করতে শিখেছে, আর্জেন্টিনা  হারলে তাদের মন খারাপ হয়। এসব কারণেই তিনি সেরা বিশ্বকাপ কাটাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। 

লিও বলেন, ‘পরিবার, আমাদের সন্তান ওদের বিষয়টা সবসময়ই আমার মাথায় থাকে। কারণ ওরা বড় হচ্ছে এবং ফুটবল নিয়ে সবকিছু বুঝতে শিখেছে। তারা খেলা উপভোগ করতে শুরু করেছে, খেলার জন্য ওদের মনও খারাপ হয়। তাদের সঙ্গে এই মুহূর্তগুলো ভাগাভাগি করতে পেরে আমি আনন্দিত।’ 

সৌদি আরবের বিপক্ষে হেরে আসর শুরু করে আর্জেন্টিনা। মেসি বলেছিলেন, ওই হারে তার দ্বিতীয় সন্তান কাঁদতে শুরু করে। খাতা নিয়ে বসে পড়ে পরের দুই ম্যাচের সমীকরণ কষতে। যদিও তারা ওভাবে এখনও বিশ্বকাপ বুঝে উঠতে শেখেনি, ‘সন্তানদের বুঝতে শেখার পর এটাই আমার প্রথম বিশ্বকাপ। ছোট ছেলের প্রথম বিশ্বকাপ। বড় ছেলে থিয়াগো অবশ্য এখনও বিশ্বকাপ কী সেভাবে বুঝতে শেখেনি।’