'নৈরাজ্য-নাশকতা-বিশৃঙ্খলা: উন্নত আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধান বাধা' শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, ১০ ডিসেম্বর সমাবেশকে ঘিরে বিএনপি গোলযোগ সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে। তারা খালেদা জিয়াকে সমাবেশে বসিয়ে পুরো এলাকা দখলের পাঁয়তারা করছে। তাদের বিদেশি শক্তি মদদ দিচ্ছে। এর ফলাফল ভালো হবে না।

রোববার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধু পরিষদ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

বঙ্গবন্ধু পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক ড. জিয়া রহমানের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান লাল্টুর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন ঢাবির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী, সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটর মো. নজরুল ইসলাম খান, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক, ঢাবির টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভুইয়া।

অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী বলেন, বিএনপির বিভাগীয় জনসভায় অনেক লোক হচ্ছে এটা সত্য। তবে আমরা ভয় পাই না। বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বিতর্কিত করেছে। তারা এখন আবার তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চায়। এটা কোনোদিনই আর সম্ভব নয়। যেকোনো হত্যাকাণ্ড মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। কিন্তু বিএনপি ও স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জাতির পিতা, শিশু রাসেল ও একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে আইভি রহমানের মতো জনপ্রিয় নেত্রীকে হত্যা করে এ দেশে হত্যার রাজনীতি শুরু করেছে।

সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান বলেন, বিএনপির নয়াপল্টনে জনসভা ডাকার ভয়াবহ দুরভিসন্ধি রয়েছে। তারা ভয়াবহ নাশকতা করতে পারে। তারা কৌশলে খালেদা জিয়াকে জনসভায় এনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে।

মো. নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশের তথ্য বিদেশে পাচার করা নিন্দনীয় ও দেশবিরোধী কাজ। বিএনপি বারবার বিদেশিদের কাছে ধরনা দিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এর ফলাফল ভালো হবে না। এর মাধ্যমে আমাদের অল্প সম্পদ লুটপাটের পাঁয়তারা করছে বিদেশিরা।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সাইন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. বিল্লাল হোসেন, স্যার এ এফ রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান, অধ্যাপক ড. বিমান বড়ুয়া, অধ্যাপক ড. রফিক শাহরিয়ার, বঙ্গবন্ধু পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক রেহান সোবাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম লুৎফর রহমান, সহ-প্রচার সম্পাদক এইচ এম মেহেদী হাসান প্রমুখ।