মোবাইল ফোন বিক্রির পাওনা টাকা চাওয়ায় হত্যা করা হয় ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুর ব্যবসায়ী হামিদুল ইসলাম জনিকে। এ ঘটনায় সজিব আহাম্মেদ অপু (১৯) নামে এক যুবকের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও চারজনকে আসামি করে মামলা করেছেন নিহতের ভাই ছাব্বির হোসেন। ১০-১৫ দিন আগে নিহত জনির দোকান থেকে ৬১ হাজার টাকা মূল্যের দুটি মোবাইল ফোন বাকিতে নেয় আসামি অপু। এই টাকা চাওয়া নিয়ে কয়েকদিন আগে আসামি অপুর সঙ্গে জনির কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়েছিল।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে এগারোটার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঝিনাইদহ র‌্যাবের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. রাসেল। সোমবার রাতে মামলার পর আসামি অপুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

র‌্যাব কর্মকর্তা মো. রাসেল বলেন, সোমবার জনিকে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা ছিল আসামি অপুর। দুপুর দুইটার দিকে জনির দোকানে এসে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দোকানের মেঝেতে ফেলে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করে হত্যার পর দোকানের পেছন দিক দিয়ে পালিয়ে যায় আসামি অপু। এ ঘটনায় নিজস্ব গোয়েন্দাদের মাধ্যমে ছায়া তদন্ত করে র‌্যাব। পরে গভীর রাতে পার্শ্ববর্তী কুষ্টিয়া জেলার ইবি থানার মনোহরদিয়া গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে অপু একাই জনিকে হত্য করেছে বলে র‌্যাবের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়েছে বলেও জানান র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

আসামি সজিব আহাম্মেদ অপু উপজেলার আদর্শ আন্দুলিয়া গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে। নিহত জনি একই গ্রামের আতিয়ার রহমান মুন্সীর ছেলে। সোমবার দুপুরে শহরের কসাইমোড় এলাকায় নিজ দোকানে তাকে হত্যা করা হয়।

হরিণাকুণ্ডু থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, এই হত্যাকাণ্ডে আরও কেউ জড়িত আছে কি-না সে বিষয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। গ্রেপ্তার আসামিকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।