মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় প্রেমের সম্পর্কের জন্য সোহাগ আহম্মেদ নামে এক তরুণকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মেয়ের পরিবারের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওই তরুণের মৃত্যু হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে মেয়ের বাবা সাবেক ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান ও তার ছেলে ডেকে নিয়ে গিয়ে সোহাগকে মারধর করেন।

সোহাগ উপজেলার নতুন ভোয়া গ্রামের আখের আলীর ছেলে। সে তাঁত শ্রমিক ছিল।

সোহাগের মৃত্যুর পর সাবেক ইউপি সদস্য হাবিবুরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, সোহাগের সঙ্গে একই গ্রামের হাবিবুরের মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সোহাগের আর্থিক অবস্থা অসচ্ছল হওয়ায় হাবিবুর ও তার ছেলে বিষয়টি মেনে নেননি।

এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে হাবিবুর ও তার ছেলে সোহাগকে নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ কর্নেল মালেক মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

অবস্থার অবনতি হলে গত শনিবার সোহাগকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সোহাগের মৃত্যু হয়।

সোহাগের মামা ইয়াকুব আলী বলেন, আমার ভাগিনাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে অমানষিক নির্যাতন করে মেয়ের পরিবারের লোকজন হত্যা করেছে। ইউপি সদস্য প্রভাবশালী হওয়ায় এভাবে নিরীহ একজনকে হত্যা করবে, বিষয়টি মেনে নেওয়া যায় না।

তবে মেয়ের বাবা হাবিবুরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মারধরের ঘটনা অস্বীকার করেন।

এ বিষয়ে সাটুরিয়া থানার ওসি সুকুমার বিশ্বাস জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মেয়ের বাবা হাবিবুরকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্ত করে এ বিষয়ে আইন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।