ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

চরে যুবকের ৯ টুকরো লাশ

কারও নাম উল্লেখ না করে হত্যা মামলা, আরেকজন গ্রেপ্তার

নিহত মিলন হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ১৫:৪৯

কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় পদ্মা নদীর চর থেকে যুবক মিলন হোসেনের লাশের ৯ টুকরা উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। গত শনিবার সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলাটি করেন মিলনের মা শেফালি খাতুন। তবে মামলায় কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি। 

অজ্ঞাতনামা কতজনকে আসামি করা হয়েছে, সেটাও উল্লেখ নেই। এ ঘটনায় রোববার আরেকজনকে আটক করা হয়েছে। তাকেসহ আগে গ্রেপ্তার পাঁচজনকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। তাদের মধ্যে কয়েকজনের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

রোববার সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া মডেল থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সাজু মহন সাহা জানান, ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তার কয়েকজন আদালতে জবানবন্দি দিতে রাজি হয়েছে। বাকিদের রিমান্ড চাওয়া হবে। 

গত শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত পদ্মার চরে অভিযান চালিয়ে মিলন হোসেনের লাশের ৯ টুকরা উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে মিলনকে হত্যার অভিযোগে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি এসকে সজীব ওরফে সজীব শেখ এবং জহির রাইহান, ফয়সাল আহমেদ, ইফতি খান ও সজল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের নিয়ে পদ্মার চরে অভিযান চালিয়ে ৯ টুকরা করা মিলনের লাশ উদ্ধার করা হয়। রোববার এ ঘটনায় লিংকন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে আরও ৩-৪ জন হত্যা ও লাশ গুমে অংশ নেয় বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। 

কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ কান্তি নাথ বলেন, টাকা-পয়সার বিষয় নিয়ে মিলনকে হত্যা করা হয়েছে বলে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা স্বীকার করেছে। এর পেছনে আর কেউ আছে কিনা এবং টাকা-পয়সা ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ের সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়েছে। আসামি কয়েকজন আদালতে জবানবন্দি দিতে রাজি হয়েছে।

সজীবের বিষয়ে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে থানায় ১১টি মামলা আছে। এর মধ্যে কয়েকটি মামলা শেষ হয়ে গেছে। একটি মামলায় সজীবের জেল হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে কিশোর গ্যাং পরিচালনাসহ মাদক কারবারের অভিযোগ আছে। মিলন হত্যায় সজীব ও তার সহযোগীরা জড়িত। সজল নামে মিলনের যে ব্যবসায়িক অংশীদার ছিল, সেও এ ঘটনার আরেক মাস্টারমাইন্ড।

আরও পড়ুন

×