ঢাকা শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

রিমা অনেকের অনুপ্রেরণা

রিমা অনেকের অনুপ্রেরণা

রিমা

মোস্তফা কামাল, কিশোরগঞ্জ

প্রকাশ: ০৭ মার্চ ২০২৪ | ২৩:৩৮

ঘটনাটি ২০১৫ সালের। জেলা পরিষদের প্রশিক্ষণ শেষে পাওয়া ৭০০ টাকায় শুরু পোশাক তৈরির কাজ। এরপর একে একে গড়ে তোলেন তিনটি প্রতিষ্ঠান। এখন নেপালেও যাচ্ছে তাঁর পণ্য। তিনি এখন অনেকের অনুপ্রেরণা। তাঁর নাম রিমা আক্তার। 

রিমা কটিয়াদী উপজেলার জামষাইট গ্রামের আবুল হোসেনের মেয়ে। মা আনোয়ারা বেগম মারা গেছেন। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট। জেলা পরিষদ ও যুব উন্নয়ন সূচি শিল্প, কুশিকাজ, কাপড়ের পেইন্টিং ও বিউটি পার্লার শিল্পে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। শোরুম নেন ২০২০ সালে। নিজ জেলার তিন হাজার মেয়েকে বিনা পয়সায় প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকেও প্রশিক্ষক হিসেবে ডাক পড়ে তাঁর। আঞ্চলিক এসএমই (ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প) পণ্য মেলায় অংশ নিয়ে প্রথম হয়েছেন। তিনবার হয়েছেন শ্রেষ্ঠ জয়িতা। সফল আত্মকর্মী হিসেবে জাতীয়ভাবে প্রথম হয়েছেন। ব্যবসার কাজে নেপাল গিয়েছেন পাঁচবার। সেখানে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশ নিয়ে পুরস্কার পেয়েছেন। প্রশিক্ষণ দিয়েছেন নেপালেও। 

জেলা শহরের নিউটাউন এলাকায় রিমি ফ্যাশন ও রিমি গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড নামে বিউটি পার্লার আছে তাঁর। রথখলা এলাকায় ঈশাখাঁ মার্কেটেও একটি বিউটি পার্লার দিয়েছেন। 
নিউটাউন এলাকায় তাঁর শোরুমে গিয়ে দেখা গেছে, দেয়ালে থরে থরে সাজানো নানা স্মারক ও পুরস্কার। পাঁচজন কর্মী কাজ করছেন সেখানে। খণ্ডকালীন আরও ৩০০ কর্মী এখানে পণ্য সরবরাহ করেন। রিমা আক্তার বলেন, হ্যান্ডিক্রাফট আর বিউটি পার্লার থেকে মাসে তাঁর লক্ষাধিক টাকা আয় হয়। রিমার স্বপ্ন ব্যবসার পরিধি বড় করা। আর নবীন উদ্যোক্তাদের স্বাবলম্বী হতে সহায়তা করা। যারা পুঁজির অভাবে উদ্যোক্তা হতে পারছেন না, তাদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে সহজ শর্তে ঋণদানের ব্যবস্থার দাবি তাঁর।

আরও পড়ুন

×