ঢাকা শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

শাবি ছাত্রলীগের ৮ কর্মীকে হল থেকে বহিষ্কার

শাবি ছাত্রলীগের ৮ কর্মীকে হল থেকে বহিষ্কার

ফাইল ছবি

শাবি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১১ মার্চ ২০২৪ | ১৮:০৭

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) ২০২১-২২ সেশনের ব্যাচের নামকরণ নিয়ে কোন্দল এবং ছাত্রলীগের ধাওয়া- পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় জড়িতের অভিযোগে আট শিক্ষার্থীকে হল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সোমবার বিকেলে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. ফজলুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

বহিষ্কৃতরা শাবি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। সাময়িক বহিষ্কারাদেশ বহাল থাকা অবস্থায় তারা আবাসিক হলে প্রবেশ করতে পারবে না। 

বহিষ্কৃতরা হলেন- সফটওয়্যার ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের সাদমান হাফিজ ও রিফাত চৌধুরী রিয়াজ, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের পলিটিকাল স্টাডিজ বিভাগের মোবাশ্বির বাঙ্গালী, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের মহসিন নাইম ও ইংরেজি বিভাগের তৈমুর সালেহীন তাউস, সমাজকর্ম বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের হৃদয় মিয়া, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শান্ত তারা আদনান ও পরিসংখ্যান বিভাগের তানভীর আহমেদ।

জানা যায়, গত ৮ মার্চ শুক্রবার ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থীদের ব্যাচের নামকরণ নিয়ে মেসেঞ্জার গ্রুপে এক শিক্ষার্থীর মন্তব্যের জের ধরে শাহপরাণ হলের সামনে কথা কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। পরে সমাধানের উদ্দেশ্যে ওই হলের গেস্ট রুমে ছাত্রলীগের একাধিক গ্রুপের কর্মীরা বসে। বিষয়টি সমাধান না হয়ে আবারও তর্কাতর্কিতে রূপ নেয় এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ছাত্রলীগের সহসভাপতি মামুন শাহ'র অনুসারীরা বঙ্গবন্ধু হলে অবস্থান নিলে ছাত্রলীগ নেতা সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক খলিলুর রহমান, সাবেক উপদপ্তর সম্পাদক সজীবুর রহমান, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক সুমন মিয়াসহ অন্যান্য গ্রুপের কর্মীরা তাদের উপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি এবং হলের প্রভোস্ট বডির সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।

বহিষ্কারের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, 'হল প্রশাসনের প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে তাদের হল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্যরা জড়িত কিনা চূড়ান্ত তদন্ত করার জন্য আরও একটি পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে; তদন্ত কমিটির প্রধান অধ্যাপক আজিজুল বাতেন। আশা করি খুব দ্রুত এই ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন দেবেন। 

আরও পড়ুন

×