গাজীপুরে কেক খাওয়ার পর সহোদরা আশামণি ও আলিফার মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার দোকানি সাইফুল ইসলামের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার পুলিশ পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে সাইফুলকে মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করলে বিচারক শাহ মগদুম দুই দিন মঞ্জুর করেন।

সদর থানার ওসি জিয়াউল ইসলাম বলেন, কেক খেয়ে দুই শিশুর মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনের প্রয়োজনে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, সালনা এলাকার 'আল্লাহর দান' বেকারি কারখানার মালিক হোসেন আলী, ম্যানেজার সোহেল রানা ও ডেলিভারিম্যান শহীদুল ইসলামেরও পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল। তবে আদালত কেবল দোকানি সাইফুলের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সোমবার তাদের সালনা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বাবার কিনে পাঠানো কেক খেয়ে ছয় বছরের আশামণি ও দেড় বছরের আলিফার মৃত্যুর দু'দিন পেরিয়ে গেলেও রহস্যের জট খোলেনি। এখনও ঘটনার মূল হোতাকে চিহ্নিত করতে পারেনি পুলিশ। গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলাম জানান, রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশের একাধিক টিম ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যান্য সংস্থাও কাজ করছে। শিগগিরই রহস্য উদ্ঘাটন হবে।

গত রোববার বড় মেয়ে আশামণির আবদার মেটাতে দোকান থেকে কেক কিনে পাঠান আশরাফ আলী। নানি মনোয়ারা বেগম ওই কেক তুলে দেন আশামণি ও আলিফার মুখে। এক টুকরো পায় প্রতিবেশী শিশু সিয়ামও। কেক খাওয়ার পরই আশামণি ও আলিফার মৃত্যু হয় বিষক্রিয়ায়। সিয়াম চিকিৎসাধীন।