ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইসলামী বক্তা মুফতি শরীফুল ইসলাম ভূইয়ার ওপর হামলার অভিযোগে চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। আজ বুধবার র‍্যাব-৯ এর ব্র্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরে অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে আখাউড়া থানা পুলিশ এক জনকে গ্রেপ্তার করেছে। 

মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে র‍্যাবের একাধিক অভিযানিক দল চার জনকে গ্রেপ্তার করে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

তারা হলেন মামলার আসামি বিজয়নগর উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের জাকির হোসেন জাক্কা, মাহবুবুল আল শিমুল, চাওড়া গ্রামের মো. সুমন ও কুমিল্লার দেবিদ্বারের মো. আমিরুল ইসলাম রিমন। এর আগে বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল গ্রামের শাহিনুর ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাকে মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

আহত ইসলামী বক্তা মুফতি শরীফুলের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার চাপুইর গ্রামে। তিনি বিজয়নগর উপজেলার শ্রীপুর ইসলামীয়া ফাজিল মাদ্রাসার প্রভাষক। এর পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে ওয়াজ মাহফিলে তিনি বক্তব্য দেন।

গত শনিবার রাত সোয়া ১২টার দিকে বিজয়নগর উপজেলায় দৌলতবাড়ি দরবার শরীফ থেকে ওয়াজ মাহফিল শেষে বাড়ি ফেরার পথে আখাউড়া উপজেলার রামধননগর রেলক্রসিং এলাকায় দুর্বৃত্তরা তার উপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় রোবাবর তার চাচা মো. আব্দুল বাছির ভূঁইয়া বাদী হয়ে দু'জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ৫-৭ জনকে আসামি করে আখাউড়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-৯ এর অধিনায়ক উইং কমান্ডার মুমিনুল হক বলেন, গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে র‍্যাব। জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

তিনি জানান, মাহফিলে ওই ইসলামী বক্তার বক্তব্যের কিছু অংশ আসামিদের কাছে গ্রহনযোগ্য মনে হয়নি। এ কারণে তার ওপর হামলা ওই চালানো হয়। এতে ইসলামী বক্তার জিহ্বা কেটে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জঙ্গি কিংবা ধর্মীয় কোনো সংগঠনের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।