খুলনার কয়রায় একটি মাদরাসায় অধ্যক্ষ নিয়োগকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অধ্যাপককে মারপিটের ঘটনায় মামলা হয়েছে। শনিবার রাতে অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে আট জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে কয়রা থানায় এ মামলা করেছেন। 

এ মামলায় মহারাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া ওই মাদরাসার উপধ্যক্ষ মাসুদুর রহমান, নাকশা মাদরাসার মাওলানা মজিবার রহমান, অফিস সহকারী কামরুল ইসলাম, চেয়ারম্যানের ভাগনে রাসেলের নাম রয়েছে এ মামলায়। 

মামলায় এখন পর্যন্ত কামরুল ইসলাম নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।

কয়রা থানার ওসি এবিএমএস দোহা বলেন, মামলার অন্যন্য আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।

গত শুক্রবার (৫ মে) উপজেলার উত্তরচক আমিনিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ নিয়োগে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনে এসেছিলেন ওই অধ্যাপক। মাদরাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের পছন্দের প্রার্থী নিয়োগ না পাওয়ায় তাকে মারপিট করে নিয়োগপত্রে স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে।