আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-১ আসনের (চাটখিল-সোনাইমুড়ীর একাংশ) বজরা ইউনিয়নকে নোয়াখালী-২ আসনে অন্তর্ভুক্ত করার আবেদনের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন ইউনিয়নের বাসিন্দারা। সোমবার দুপুরে সোনাইমুড়ীর বজরা বাজার আঞ্চলিক মহাসড়কে এ প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়। স্থানীয় সংসদ সদস্য এ আবেদন করেছেন।

কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাবুল বাবু, ইকবাল হোসেন চৌধুরী, আবু বক্কর ছিদ্দিক, মাসুম, সাইফুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম বাবু প্রমুখ। এ সময় বক্তারা বজরা ইউনিয়নকে নোয়াখালী-২ আসনে অন্তর্ভুক্ত না করার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে দাবি জানান।

জানা গেছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হবে। নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এইচ এম ইব্রাহিম গত ৬ ফেব্রুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশন বরাবর সীমানা পরিবর্তনের আবেদন করেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন, নোয়াখালী-১ আসনে সীমানা পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে বজরা ইউনিয়নকে নোয়াখালী-২ আসনে সংযুক্ত করলে ভোটার সংখ্যা প্রায় সমান হবে।

তিনি দাবি করেন, এ জন্য সংসদ সদস্য এবং জনগণের কোনো আপত্তি নেই। এর কারণ, নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য মোর্শেদ আলমের বাড়ি নাটেরশ্বরে। সোনাইমুড়ী থেকে যে তিনটি ইউনিয়ন নোয়াখালী-২ আসনে সংযুক্ত করা হয়েছে এটি তার একটি, যা বজরা ইউনিয়নের সীমানাসংলগ্ন।

নোয়াখালী-১ আসনের চাটখিল ও সোনাইমুড়ীর মোট জনসংখ্যা ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৯৪ জন। ভোটার ৪ লাখ ১৬ হাজার ১৫২ জন। নোয়াখালী-২ আসনের মোট জনসংখ্যা ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৭৮৮ জন এবং ভোটার ৩ লাখ ১৩ হাজার ৪৫১ জন। সোনাইমুড়ীর বজরা ইউনিয়ন নোয়াখালী-২ আসনে সংযুক্ত করা হলে ভোটার ও জনসংখ্যায় সামঞ্জস্য হবে।

নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এইচ এম ইব্রাহিম আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দেশের সংসদীয় আসনগুলোর ভোটার সংখ্যা যেখানে কমবেশি আছে। সেখানে সমন্বয় করার জন্য নির্দেশনা রয়েছে। সে অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছেন। বিষয়টি এখন নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার।