সিলেট ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে গতকাল বৃহস্পতিবার পাঁচ মেয়রসহ ২২ জনের মনোনয়ন বাতিল ও একজনের স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। এদিকে, শেষ দিনে খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদের ১২ জন তাঁদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
সিলেটের রিটার্নিং কর্মকর্তা ফয়সল কাদির জানান, ঋণখেলাপি, প্রস্তাবক-সমর্থকরা অন্য এলাকার ভোটার, আয়কর রিটার্ন জমা না দেওয়াসহ বিভিন্ন কারণে ১৬ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। ১১ মেয়র প্রার্থীর মধ্যে ৫, সাধারণ ২৮৭ কাউন্সিলরের মধ্যে ৬ ও সংরক্ষিত ৮৯ প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।

মনোনয়ন বাতিল হয়েছে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী সামছুন নুর তালুকদার, মোহাম্মদ আবদুল মান্নান খান, মাওলানা জাহিদ উদ্দিন, মো. শাহজাহান মিয়া ও মোশতাক আহমেদ রউফ মোস্তফার। ফলে বৈধ মেয়র প্রার্থীরা হলেন– আওয়ামী লীগের আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, জাতীয় পার্টির নজরুল ইসলাম বাবুল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান, জাকের পার্টির জহিরুল আলম, স্বতন্ত্র মোহাম্মদ আবদুল হানিফ কুটু ও মো. ছালাহ উদ্দিন রিমন।

রাজশাহী সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন জানান, যাচাই-বাছাই শেষে চার মেয়র ও ৪৬ সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ১২৪ কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ছয়জনের অবৈধ এবং একজনের মনোনয়ন স্থগিত করা হয়েছে।

বৈধ মেয়র প্রার্থীরা হলেন– আওয়ামী লীগের এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, জাতীয় পার্টির সাইফুল ইসলাম স্বপন, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা মুরশিদ আলম ও জাকের পার্টির লতিফ আনোয়ার।

এদিকে, খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে শেষ দিনে গতকাল ১২ কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন জানান, এখন মেয়র পদে ৪, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৯ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১৩৬ জনসহ মোট বৈধ প্রার্থী ১৭৯।

মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন ৩ নম্বর ওয়ার্ডে শেখ আবদুল হাই, ৫ নম্বরে হারুন-অর রশিদ, ৬ নম্বরে শেখ লুৎফর রহমান, ৭ নম্বরে শেখ তারেক, ১০ নম্বরে মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন আহম্মেদ, ১৪ নম্বরে আবদুর রশিদ শেখ, ১৫ নম্বরে সমীর কুমার দত্ত, ১৬ নম্বরে তাহেরা খাতুন, ২১ নম্বরে মো. আক্তারুজ্জামান ও মুক্তা বেগম, ২৫ নম্বরে মোছা. নাজমুন্নাহার এবং ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে হোসনে আরা। এখন মেয়র পদে লড়ছেন আওয়ামী লীগের তালুকদার আবদুল খালেক, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা আবদুল আউয়াল, জাতীয় পার্টির শফিকুল ইসলাম মধু ও জাকের পার্টির এস এম সাব্বির হোসেন।