অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত করোনার টিকা ব্যবহারে অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তারা বলেছে, করোনার টিকা ওইসব দেশেও ব্যবহার করা উচিত, যেখানে নতুন ধরনের করোনার সংক্রমণ বেশি। 

৬৫ বছর বয়সের বেশি মানুষও এই টিকা নিতে পারবেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের এই অঙ্গ সংস্থাটি। খবর বিবিসির।

বুধবার ডব্লিউএইচওর কৌশলগত উপদেষ্টা ও প্রতিরোধক বিশেষজ্ঞদের গ্রুপ (এসএজি) আরও বলেছে, টিকার দুটি ডোজের মধ্যে আট থেকে ১২ সপ্তাহের ব্যবধান থাকতে হবে। তাদের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে দেখা গেছে, সার্বিকভাবে টিকাটি ৬৩ শতাংশ কার্যকর। বাংলাদেশও অক্সফোর্ডের টিকা ব্যবহার করছে।

এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা অপফোর্ডের কভিড টিকাদান স্থগিত করার পর এবার তাদের হাতে থাকা কয়েক লাখ ডোজ টিকা বিনিময় বা বিক্রি করে দিতে চাইছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ কথা জানিয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনাভাইরাসের একটি ধরনের বিরুদ্ধে অক্সফোর্ডের কভিড-১৯ টিকা সামান্যই কার্যকর, গবেষণায় এমন হতাশাজনক ফল আসার পর কিছুদিন আগেই টিকাদান কর্মসূচি স্থগিত করেছিল সরকার। এখন দেশটি এই টিকাগুলো বিনিময় কিংবা বিক্রি করে দিয়ে এর পরিবর্তে বিকল্প হিসেবে জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকা ব্যবহারের পরিকল্পনা করেছে।


মন্তব্য করুন