সবরকম রাজকীয় উপাধি ও সম্মান হারাতে যাচ্ছেন ব্রিটেনের যুবরাজ হ্যারি। শুক্রবার বাকিংহ্যাম প্যালেস থেকে এ ঘোষণা দেয়া হয়। 

ঘোষণায় বলা হয়, রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ এ মর্মে নিশ্চিত হয়েছেন যে, রাজকুমার ও তার স্ত্রী যে জীবন বেছে নিয়েছেন, সেখান থেকে তাদের ওপর অর্পিত রাজপরিবারের জনসেবামূলক দায়িত্ব ও কর্তব্যগুলো পালন করা সম্ভব নয়। তাই রাজপরিবারের পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। খবর এনডিটিভির।

প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান আনুষ্ঠানিকভাবে ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্স হিসেবে পরিচিত। গত বছর তারা পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সাধারণ জীবন যাপনের সিদ্ধান্ত নিলে ব্রিটিশ রাজতন্ত্রকে প্রবল ধাক্কা দিয়েছিল। পরিবারের সঙ্হেগ সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেয়ার পর থেকে তারা এখন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বাস করছেন। সে দেশে কয়েকটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নানা রকম কাজকর্মও শুরু করেছেন দম্পতি।

সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা আগেই দেয়া হয়েছিল। ২০২০ সালের গোড়ার দিকে রানীর সঙ্গে তাদের বৈঠক হয়। রানী তাদের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার জন্য এক বছর সময় দিয়েছিলেন। কিন্তু এক বছর পর দম্পতি তাদের সিদ্ধান্তে অটল থাকার সিদ্ধান্ত জানালে রানী এই চিঠিতে তার নির্দেশনা জানান।

বাকিংহ্যাম প্যালেস এক বিবৃতিতে বলেছে, ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্স রানীকে নিশ্চিত করেছেন যে, তারা রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে আর ফিরে আসবেন না। রানী এই ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে চিঠিতে বলেছেন, তাদের পক্ষে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন যখন সম্ভব হবে না, তখন তাদের পদবি ও সম্মান প্রত্যাহার করে নেয়া হবে।

প্রিন্স হ্যারির বেশ কিছু সম্মানসূচক সামরিক খেতাব রয়েছে। পাশাপাশি তিনি কমনওয়েলথে নিয়োগ কর্মকর্তার দায়িত্বও পালন করছেন। এছাড়া বেশকিছু প্রতিষ্ঠানকে পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকেন রাজপরিবারের পক্ষ থেকে। তার স্ত্রী মেগানও যুবরাজের স্ত্রী হওয়ার পর কিছু সম্মানসূচক দায়িত্ব ও পদবি পেয়েছেন।

মন্তব্য করুন