ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মানবতাবিরোধী অপরাধ

মেনন ও কামরুলের বিচার চাইলেন জুলাইযোদ্ধা সজিব 

মেনন ও কামরুলের বিচার চাইলেন জুলাইযোদ্ধা সজিব 
×

ফাইল ছবি-সংগৃহীত

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২১:৫৩

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কামরুল ইসলাম ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন জুলাইযোদ্ধা মো. নবী হোসেন সজিব। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ তিনি জবানবন্দি দেন।

এই মামলায় মেনন ও কামরুলের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর বাড্ডাসহ আশপাশের এলাকায় ২৩ জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের দুটি ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ঘটনার জন্য সাবেক দুই মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন ও কামরুল ইসলামকে দায়ী করে বিচার চেয়েছেন গ্রিলমিস্ত্রি সজিব।

২০২৪ সালের ১৯ জুলাইয়ের ঘটনা উল্লেখ করে সজিব বলেন, মেরুল বাড্ডা এলাকায় তাঁর বাসা। ওই দিন পুলিশ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ওই স্থানে এসে হঠাৎ করেই মানুষের ওপর সরাসরি গুলি করতে থাকে। এতে উত্তর বাড্ডায় একজন, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে একজন এবং মধ্য বাড্ডায় ইউটার্নের সামনে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে নিহত হন। অনেক মানুষ আহত হয়। পরদিন রামপুরায় টিভি সেন্টারের সামনে মেইন রোডে পুলিশের গুলিতে দুজন নিহত এবং অনেকে আহত হন। 

জবানবন্দিতে সজিব বলেন, এরপর ৫ আগস্ট মেরুল বাড্ডার ১৫ নম্বর রোডে অনেক লোকজনের উপস্থিতি ছিল। ওই সময় আন্দোলন চলাকালে পুলিশ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, র্যা বের সদস্যরা এসে গুলি চালান। আমি গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হই এবং সেখানে আরও দুজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। 

এ পর্যায়ে সাক্ষী সজিব তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলির চিহ্ন ট্রাইব্যুনালে দেখান। তিনি বলেন, যে দুজন নিহত হয়েছেন, তাদের একজনের পেটে গুলি লেগে পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায় এবং অন্যজনের তলপেটে গুলি ঢুকে পেছন দিয়ে বেরিয়ে যায়। আমি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর কুর্মিটোলা হাসপাতাল এবং ঢাকা সিএমএইচে চিকিৎসা নিই। সিএমএইচে চিকিৎসক আমার শরীর থেকে ২৫টি ‘পিলেট’ বের করেন। আমার পিঠে হাড়ের মধ্যে এখনও একটি পিলেট আছে, যা বের করা সম্ভব হয়নি। 

বুধবার সজিবকে জেরা করবেন আসামিপক্ষের আইনজীবী। মঙ্গলবার দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
 

আরও পড়ুন

×