ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিসিটিভি ফুটেজে বেরিয়ে আসছে নতুন নতুন তথ্য

রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা

সিসিটিভি ফুটেজে বেরিয়ে আসছে নতুন নতুন তথ্য
×

মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ভবন

রাসেল মাহমুদ

প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৮:০৪

রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় হামলাকারীদের জড়ো করা, দেশীয় অস্ত্র-সরঞ্জাম সরবরাহ ও এক্সক্যাভেটর (খননযন্ত্র) জোগাড়ের সঙ্গে জড়িত মূল ব্যক্তিরা এখনও দৃশ্যমান তদন্তের বাইরে। স্থানীয় বিএনপি এবং যুব ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। তারা সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিসহ দুটি প্রভাবশালী গ্রুপের অনুসারী বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

হামলার আগে ছাত্রদলের সাবেক এক নেতার কার্যালয়ের সামনেসহ ঘটনাস্থলের আশপাশে হামলাকারীরা জড়ো হয়। তবে এ ঘটনায় করা মামলায় তাদের নাম নেই। ঘটনার চার দিন পেরিয়ে গেলেও মূল অভিযুক্ত হানিফ মিয়াসহ বাকিদের কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তবে হামলার সময়ে একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাস ও পাহারায় থাকা সরকারদলীয় স্থানীয় বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে দেখা গেছে। সিসি ক্যামেরা ফুটেজে এমন নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে। 

সোমবার গিয়ে দেখা যায়, ‎রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ভাঙা ভবনের ভেতরে টিকাদান কর্মসূচি চলছে। সেন্টারের ভেতরে ভাঙা ইট ও পড়ে থাকা জিনিসপত্র সরিয়ে পরিষ্কার করা হয়েছে। একটি কক্ষে টিকাদান কার্যক্রম চলছে। বাকি কয়েকটি কক্ষে টেবিল-চেয়ার বসানো হয়েছে। পেছনের অংশে এক্সক্যাভেটর দিয়ে পড়ে থাকা ভাঙা ইট ও গাছ সরানো হচ্ছে। কর্মীরা ভাঙা ভবনের একটি কক্ষে ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুকে হামের টিকাসহ নিয়মিত টিকা দিচ্ছেন। ‎ছয় মাস বয়সী মেয়েকে নিয়ে আসা রেশমা সমকালকে বলেন, ‘মেয়েকে টিকা দিতে নিয়ে এসেছি। বাসার আশপাশের সবাই এখান থেকে টিকা নেয়। মেয়েকে প্রথম টিকা দিতে নিয়ে এলাম।’

নাতনিকে নিয়ে আসা লিলি বেগম বলেন, ‘আমার ছেলেমেয়েকে এই সেন্টার থেকে টিকা নিয়েছি। নাতনিকেও আগে এখান থেকে টিকা দেওয়ানো হয়েছে। আজকে আবার নিয়ে এলাম।’

রাড্ডার কর্মকর্তারা জানান, গত রোববার যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের নির্দেশের পর রাতেই সামনের গেট সরিয়ে ফেলা হয়। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার পর সেন্টারের সামনের অংশে ও সেন্টারের ভেতরে পড়ে থাকা ইট সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ‎টিকাদান ও স্বাস্থ্যসেবা চালু করেন তারা। গতকাল মোট ৬৭ জন সেন্টারটিতে সেবা নিতে আসে।

‎রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আকতার সমকালকে বলেন, ‘প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশের পর আজ (গতকাল) সেন্টারের গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। ভেতরে ভাঙচুর করা জিনিসপত্র সরিয়ে দেওয়ায় সীমিত আকারে আমাদের সেন্টারে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া শুরু হয়েছে।’ তিনি বলেন, যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং যারা এর সঙ্গে জড়িত, তাদের সবাইকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হোক।
‎
এদিকে সকাল থেকে রাড্ডা সেন্টার পরিদর্শনে আসেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। এ সময় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানান তারা। এ ছাড়া বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন করতে দেখা গেছে। বিভিন্ন সংগঠন রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।

জড়িত অনেকে স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত
কয়েকশ লোক বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে কয়েক ঘণ্টা ধরে তাণ্ডব চালায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে। দুই নিরাপত্তাকর্মীকে জিম্মি করে চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ, টিকাসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র লুট করে। এক্সক্যাভেটর বা ভেকু দিয়ে একটি পাকা ও তিনটি আধা পাকা ভবনসহ স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। এরপর সেখানে ‘সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামে দুটি সাইনবোর্ড ও দুটি ব্যানার টাঙিয়ে দেয় হামলাকারীরা। এই সমিতির সদস্য সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি বিএনপি নেতা ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক সদস্য মো. হানিফ মিয়া, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব ‎মোস্তফা জগলুল পাশা পাপেলসহ স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি। তারা ফেরদৌসী আহমেদ (মিষ্টি) এমপি ও স্থানীয় বিএনপির প্রভাবশালীদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তবে ঘটনার পরদিনই ফেরদৌসী আহমেদ (মিষ্টি) সমকালকে জানিয়েছিলেন, তিনি হামলার বিষয়ে কিছু জানেন না।

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে হামলার আগে জড়িতদের অনেকে শাহ আলী থানা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ ওরফে লেলিনের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। ‎‎পরে সেখান থেকে তারা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা করতে যান। একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ৫ মিনিটের দিকে শাহ আলী থানার পাশেই বি-ব্লক মাঠসংলগ্ন লেলিনের কার্যালয়ের সামনে লোকজন জড়ো হয়। পরে সেখান থেকে তারা হামলায় অংশ নেয়। গতকাল সোমবার বিকেলে গিয়ে কার্যালয়টি বন্ধ পাওয়া যায়। আশপাশের কয়েকজন দোকানির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দোতলা ভবনটিতে লেলিন তাঁর অনুসারীদের নিয়ে বসতেন। কার্যালয়টি খোলাই থাকে। তবে সোমবার সকাল থেকে সেটি বন্ধ ছিল।

এ ছাড়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রসংলগ্ন ফেয়ার প্লাজার বিপরীতে আন-নূরী জামে মসজিদের উত্তর পাশের ৬/৬ নম্বর সড়কের একটি ফুটেজে ঘটনার সময় একটি সাদা মাইক্রোবাস ঘুরতে দেখা যায়। সে সময় স্থানীয় শাহ আলী থানা শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইব্রাহিমসহ হাতে লাঠি নিয়ে কয়েকজনকে অবস্থান করতে দেখা যায়। এই সড়কের পেছনেই ৫ নম্বর সড়কে এজাহারভুক্ত আসামি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক সদস্য মো. হানিফ মিয়ার কার্যালয়। সোমবার বিকেলে গিয়ে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। আশপাশের দোকানিরা জানান, আগে রাত ১০টা পর্যন্ত কার্যালয়টি খোলা থাকত। কিন্তু তিন দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। আরেক ফুটেজে শাহ আলী থানা শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এক নেতাকে বেশ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে যেতে দেখা যায়।

‎‎স্থানীয় লোকজন ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হামলা ও ভাঙচুরের সময় মো. হানিফ মিয়া, আবুল কালাম আজাদ ওরফে লেলিন এবং ঢাকা মহানগর যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব মোস্তফা জগলুল পাশা ওরফে পাপেলসহ আরও কয়েকজন একটি সাদা মাইক্রোবাসে ঘটনাস্থলের আশপাশে ঘুরে নির্দেশনা দেন। হামলাকারীরা ছিন্নমূল মার্কেটের কাছাকাছি এসে লাঠিসোটা, রামদা, হাতুড়িসহ দেশীয় অস্ত্র সংগ্রহ করেন। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাওয়ার আগে তারা মাথায় কাপড় বাঁধেন এবং মুখোশ পরেন। আর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভবন ভাঙার কাজে ব্যবহৃত এক্সক্যাভেটরটি মিরপুর বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে নিয়ে আসা হয়। দোকান ভাঙার কথা বলে আনা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

আরও দুজন গ্রেপ্তার
রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় গত রোববার রাতে কেরানীগঞ্জের গুদারাঘাট থেকে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে শাহ আলী থানা পুলিশ। তারা হলেন মো. মিন্টু ও মো. মিলন। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ওই দিন রাতে ভাঙচুরে অংশ নিয়েছিলেন। ভাঙচুর শেষে তারা জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যান। দুজনের মধ্যে মিন্টুর কাছ থেকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের টিনসহ কিছু জিনিস উদ্ধার করা হয়েছে। আর মিলনের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে স্টিলের দরজা।

এ দুজনসহ এ ঘটনায় মোট ১২ জন গ্রেপ্তার হলেন। এর আগে গ্রেপ্তার ১০ জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে লুট হওয়া আসবাব, টিকা, নথি, ফ্রিজ, প্রিন্টার, জেনারেটরসহ বিভিন্ন ধরনের মালপত্র এবং দুটি কাভার্ডভ্যান উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে রাড্ডার নির্বাহী পরিচালকসহ প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের শাহ আলী থানায় ডাকে পুলিশ। পরে তাদের উদ্ধার করা মালপত্র বুঝে নেওয়ার জন্য আদালতের মাধ্যমে আবেদন করতে বলা হয় বলে সমকালকে জানিয়েছেন নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আকতার।

ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে ডিএমপির মিরপুর বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার সালেহ্ মুহম্মদ জাকারিয়া সমকালকে বলেন, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তার করা হবে।

এদিকে সোমবার ঘটনাস্থলে ঢাকা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব সাজ্জাদুল মিরাজ সাংবাদিকদের বলেন, রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার সময় আমি পুলিশ ও মিরপুর বিভাগের ডিসিকে ফোন করে বিষয়টি জানাই। তাঁর দাবি, কয়েকশ মানুষ ভাঙচুর চালালেও পুলিশ শুরুতে ঘটনাটি ছোট করে দেখেছিল। পরে শাহ আলী থানার ওসির সঙ্গে যোগাযোগের কথাও জানান তিনি। মিরাজ আরও অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলে ওসির গাড়ি থাকা অবস্থাতেই লুটের মালপত্র ট্রাকে তোলা হচ্ছিল। তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

স্বাস্থ্যকেন্দ্র ধ্বংসে নিন্দা ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি আসকের
মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। সংগঠনটি বলেছে, পাঁচ দশক ধরে নিম্ন আয়ের মানুষ, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসা প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের ফলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা মারাত্মক ব্যাহত হয়েছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের উল্লেখ করে আসক বলেছে, ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে ২০০-২৫০ জন নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে লুটপাট ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। ঘটনাস্থল থানার কাছে হওয়ায় এবং পুলিশকে খবর দেওয়ার পরও কেন তা ঠেকানো যায়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সংগঠনটি। হামলাকারীদের পাশাপাশি পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা ও পৃষ্ঠপোষকদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে আসক। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা স্বাধীনভাবে তদন্ত, দায়ীদের জবাবদিহি এবং দ্রুত স্বাস্থ্যসেবা পুনঃস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছে তারা।

রাড্ডাকে ৫০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়ার আশ্বাস জামায়াতের
হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্ত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারকে ৫০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার বিকেলে ক্ষতিগ্রস্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি এ ঘোষণা দেন। এ সময় শফিকুর রহমান বলেন, ‘আর কোনো দুর্বৃত্ত যেন দেশের কোথাও কোনো অপকর্ম করতে না পারে, সে ব্যাপারে সরকারকে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। সরকারি দলের আশ্রয়-প্রশ্রয়েই দেশজুড়ে মব সন্ত্রাস চলছে।’ তিনি বলেন, সরকারি দলের আশ্রয়-প্রশ্রয় ছাড়া রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ভাঙার সাহস কেউ করতে পারে না। 

পুলিশের সামনে কোটি টাকার সরঞ্জাম লুটের অভিযোগ ব্যারিস্টার ফুয়াদের
রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার থেকে কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম লুটের অভিযোগ করেছেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। সোমবার হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, পুলিশের গাড়ির সামনেই ফার্নিচার ও ইকুইপমেন্ট ট্রাকে তোলা হয়েছে, যার প্রমাণ সিসিটিভিতে রয়েছে। ঘটনায় রাজনৈতিক দুর্বৃত্তপনার পাশাপাশি প্রশাসনের সম্পৃক্ততারও ইঙ্গিত রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ফুয়াদ হাসপাতালের কর্মীদের নিরাপত্তা, খাসজমি স্থায়ীভাবে বরাদ্দ ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
 

আরও পড়ুন

×