'সিকিউরিটি মানি চালু হলে ভুঁইফোঁড়রা থাকবে না'
×
মো. মাসুদুর রশিদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্বপ্নধারা এসেটস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড
--
প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২২ | ১২:০০
সম্প্রতি রিয়েল এস্টেট ব্যবসার বর্তমান অবস্থা, সমস্যা ও সমাধানে করণীয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে সমকালের সঙ্গে কথা বলেছেন স্বপ্নধরা এসেটস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাসুদুর রশিদ। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শাহেরীন আরাফাত
বর্তমানে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা কেমন অবস্থায় আছে- এ প্রসঙ্গে মো. মাসুদুর রশিদ বলেন, এখন রড-সিমেন্টসহ সব উপকরণের দামই বেশি। এটা বিশ্ববাজারের সঙ্গে কমে-বাড়ে। তাই সরকারেরও খুব বেশি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ থাকে না। তবে সহজ শর্তে ও কম সুদে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে তা অনেকের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে।
এখানে দুই ধরনের সমস্যা প্রত্যক্ষ করছেন বলে জানান মো. মাসুদুর রশিদ। তিনি বলেন, 'আমাকে অনেক মানুষের কাছ থেকে জমি কিনতে হচ্ছে। কোনো একজন বা দু'জনের কাছ থেকে একসঙ্গে এত জমি পাওয়া যাচ্ছে না। দেখা গেল, সামনে একটা জমি আমার কাছে বিক্রি করছে না। তখন ওই জমির জন্য আমি আমার গ্রাহকদের রাস্তা দিতে পারছি না। আরেকটা সমস্যা হলো ভুঁইফোঁড় কোম্পানি। তারা কীভাবে এত কম দামে প্লট বিক্রি করতে পারে! আসলে তাদের তো বিক্রি করা প্লট গ্রাহককে বুঝিয়ে দেওয়ার ইচ্ছাটুকু নেই। যে কারণে তারা মানুষের টাকায় আয়েশী জীবনযাপন করতে পারে। কিন্তু যদি কেউ ব্যবসা করতে চায়, তাহলে তাকে হিসাব করতে হবে জমি কেনা আর বিক্রির মধ্যে যে সময়টা গেল, এ সময়ে সবকিছুরই দাম বাড়ল আর আমি কমদামে বিক্রি করলাম, তাহলে তো আমি লাভ করতে পারব না। ব্যবসাই টিকবে না। এ ক্ষেত্রে গ্রাহকদের কোম্পানির সুনাম দেখে প্লট-ফ্ল্যাট কেনা উচিত।'
তিনি বলেন, 'এ ব্যবসা অনেকের কর্মসংস্থান করেছে। ভুঁইফোঁড়দের নিয়ন্ত্রণেরও একটা উপায় আছে। ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা করার ক্ষেত্রে সিকিউরিটি মানি রাখতে হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হেফাজতে। আমাদেরও কিন্তু কিস্তি আসে প্রতিদিনই। প্রচুর টাকা লেনদেন হয়। তাই আবাসন ব্যবসায়েও একইভাবে সিকিউরিটি মানি রাখতে বাধ্য করা উচিত। এটা হতে পারে ২ কোটি বা ৫ কোটি টাকা। তাহলে যে কেউ এসেই ব্যবসার নামে আবাসন খাতকে দুর্নামে ফেলতে পারবে না। এভাবে ভুঁইফোঁড় কোম্পানিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।'
আবাসনের বিকেন্দ্রীকরণ প্রসঙ্গে বলেন, 'ঢাকার আশপাশে অ্যাপার্টমেন্ট ব্যবসা নিয়ে যেতে হলে বা ঢাকায় এসে অফিস করতে হলে আগে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি দরকার। মাওয়া বা মুন্সীগঞ্জ থেকে এসে তো ঢাকায় অফিস করা সম্ভব নয়। আমরা ঢাকার অদূরে যেসব প্লট বিক্রি করছি, তা ডেভেলপ হতে অন্তত ১০ থেকে ২০ বছর লেগে যেতে পারে। তাই এ অবস্থার পরিবর্তনে অবশ্যই সময় লাগবে।' া
বর্তমানে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা কেমন অবস্থায় আছে- এ প্রসঙ্গে মো. মাসুদুর রশিদ বলেন, এখন রড-সিমেন্টসহ সব উপকরণের দামই বেশি। এটা বিশ্ববাজারের সঙ্গে কমে-বাড়ে। তাই সরকারেরও খুব বেশি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ থাকে না। তবে সহজ শর্তে ও কম সুদে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে তা অনেকের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে।
এখানে দুই ধরনের সমস্যা প্রত্যক্ষ করছেন বলে জানান মো. মাসুদুর রশিদ। তিনি বলেন, 'আমাকে অনেক মানুষের কাছ থেকে জমি কিনতে হচ্ছে। কোনো একজন বা দু'জনের কাছ থেকে একসঙ্গে এত জমি পাওয়া যাচ্ছে না। দেখা গেল, সামনে একটা জমি আমার কাছে বিক্রি করছে না। তখন ওই জমির জন্য আমি আমার গ্রাহকদের রাস্তা দিতে পারছি না। আরেকটা সমস্যা হলো ভুঁইফোঁড় কোম্পানি। তারা কীভাবে এত কম দামে প্লট বিক্রি করতে পারে! আসলে তাদের তো বিক্রি করা প্লট গ্রাহককে বুঝিয়ে দেওয়ার ইচ্ছাটুকু নেই। যে কারণে তারা মানুষের টাকায় আয়েশী জীবনযাপন করতে পারে। কিন্তু যদি কেউ ব্যবসা করতে চায়, তাহলে তাকে হিসাব করতে হবে জমি কেনা আর বিক্রির মধ্যে যে সময়টা গেল, এ সময়ে সবকিছুরই দাম বাড়ল আর আমি কমদামে বিক্রি করলাম, তাহলে তো আমি লাভ করতে পারব না। ব্যবসাই টিকবে না। এ ক্ষেত্রে গ্রাহকদের কোম্পানির সুনাম দেখে প্লট-ফ্ল্যাট কেনা উচিত।'
তিনি বলেন, 'এ ব্যবসা অনেকের কর্মসংস্থান করেছে। ভুঁইফোঁড়দের নিয়ন্ত্রণেরও একটা উপায় আছে। ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা করার ক্ষেত্রে সিকিউরিটি মানি রাখতে হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হেফাজতে। আমাদেরও কিন্তু কিস্তি আসে প্রতিদিনই। প্রচুর টাকা লেনদেন হয়। তাই আবাসন ব্যবসায়েও একইভাবে সিকিউরিটি মানি রাখতে বাধ্য করা উচিত। এটা হতে পারে ২ কোটি বা ৫ কোটি টাকা। তাহলে যে কেউ এসেই ব্যবসার নামে আবাসন খাতকে দুর্নামে ফেলতে পারবে না। এভাবে ভুঁইফোঁড় কোম্পানিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।'
আবাসনের বিকেন্দ্রীকরণ প্রসঙ্গে বলেন, 'ঢাকার আশপাশে অ্যাপার্টমেন্ট ব্যবসা নিয়ে যেতে হলে বা ঢাকায় এসে অফিস করতে হলে আগে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি দরকার। মাওয়া বা মুন্সীগঞ্জ থেকে এসে তো ঢাকায় অফিস করা সম্ভব নয়। আমরা ঢাকার অদূরে যেসব প্লট বিক্রি করছি, তা ডেভেলপ হতে অন্তত ১০ থেকে ২০ বছর লেগে যেতে পারে। তাই এ অবস্থার পরিবর্তনে অবশ্যই সময় লাগবে।' া
- বিষয় :
- রিয়েল এস্টেট
- স্বপ্নধরা