ঢাকা শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

কিডনি ভালো রাখতে চান?

কিডনি ভালো রাখতে চান?

ডাক্তারবাড়ি ডেস্ক

প্রকাশ: ২৩ ডিসেম্বর ২০২২ | ১২:০০ | আপডেট: ২৩ ডিসেম্বর ২০২২ | ২২:২৪

শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কিডনি। সুস্থ থাকতে হলে কিডনিকে অবহেলা করলে চলবে না। নয়তো শরীরে নানা জটিলতা বাসা বাঁধতে পারে। বড় কোনো শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার আগে সতর্ক থাকা জরুরি। কোনো ক্রনিক অসুখ না থাকলে সাধারণত কিডনির যত্ন নেওয়া খুব কঠিন কাজ নয়। ছোটখাটো কিছু যত্নেই সুস্থ রাখা যায় কিডনিকে। কর্মব্যস্ততার কারণে অনেকেই আলাদা করে নিজের যত্ন নেওয়ার সুযোগ পান না। আর তাতেই বাড়ে বিপত্তি।

যেসব সাধারণ অভ্যাসে দূরে থাকে কিডনির নানা সমস্যা

- পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খান। সাধারণত যে কোনো সুস্থ মানুষের প্রতিদিন ৩-৪ লিটার পানি প্রয়োজন। তাই শরীরের প্রয়োজন কতটুকু, সেই পরামর্শ নিয়ে রাখুন চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের কাছ থেকে। সে অনুপাতে পানি খান। শরীরের যাবতীয় টক্সিন বাইরে বের করে দিতে পানিই প্রধানত সাহায্য করে। তাই পানির জোগান কিডনি যত পাবে, তার শারীরবৃত্তীয় কাজে তত সুবিধা হবে।

- কিডনি সংক্রমণের অন্যতম কারণ হলো প্রস্রাব চেপে রাখা। সাধারণত রাস্তাঘাটে বা অনেক সময় কাজের চাপে বাড়িতে থাকলেও অনেকেই প্রস্রাবের বেগ চেপে রাখেন। এ অভ্যাস দিনের পর দিন চালিয়ে গেলে বিপদ। এর ফলে মূত্রনালিতে চাপ পড়ে। তাতেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় কিডনি। শরীরে বেশিক্ষণ প্রস্রাব ধরে রাখার ফলে কিডনির শারীরবৃত্তীয় কাজ সারতে সমস্যা হয় ও দীর্ঘ সময় ধরে টক্সিন ধরে রাখায় শরীরে সংক্রমণ ঘটে।

- উচ্চমাত্রায় ডায়াবেটিস সরাসরি কিডনির ক্ষতি করে। তাই সবসময় চেষ্টা করুন ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে। রক্তে শর্করার পরিমাণ কোনোভাবেই বাড়তে দেওয়া যাবে না। কিডনি ভালো রাখতে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ প্রয়োজন।

- মুঠো মুঠো ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস থাকে অনেকেরই। অতিরিক্ত মাত্রায় এ ধরনের ওষুধ কিন্তু কিডনির নানা সমস্যা তৈরি করে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো রকম অ্যান্টিবায়োটিক বা বেদনানাশক ওষুধ খাওয়া একেবারেই উচিত নয়।

- সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন।

- রোজ অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন (রোজ না পারলেও সপ্তাহের অধিকাংশ দিন)। হাঁটা, দৌড়ানো, সাইকেল চালানো, ফ্রি-হ্যান্ড ব্যায়াম ভালো।) ধূমপান, পান-জর্দা, অ্যালকোহল বর্জনীয়। ধূমপায়ীর কিডনিতে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়। কিডনির কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়। ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়ে।

- পর্যাপ্ত ঘুম চাই রোজ। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

আরও পড়ুন

×