ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে শি জিনপিংয়ের অভিনন্দন

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে শি জিনপিংয়ের অভিনন্দন
×

ছবি: কোলাজ

বাসস

প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬ | ০৩:৫৪

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। দুদেশের সার্বিক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব আরও গভীর করতে কাজ করার আগ্রহও প্রকাশ করেছেন তিনি।

অভিনন্দন বার্তায় শি জিনপিং বলেন, চীন ও বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী দেশ। পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির  মধ্যেও এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অটুট রয়েছে। কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫১ বছরে দুই দেশ সবসময় একে অপরকে সম্মান করেছে এবং সমতার ভিত্তিতে আচরণ করেছে। কৌশলগত যোগাযোগ জোরদার করতে এবং উচ্চমানের বেল্ট অ্যান্ড রোড সহযোগিতা বাড়াতে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন শি।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া। সোমবার দুপুরে রাষ্ট্রদূত বঙ্গভবনে সাক্ষাৎকালে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন সালমানের পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান।

সৌদি রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট পরিস্থিতিতে সৌদি আরবকে বাংলাদেশের পাশে থেকে সহযোগিতার আহ্বান জানান। রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন সালমানকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান রাষ্ট্রপতি। সৌদি রাষ্ট্রদূত এ সময় জ্বালানি, সহায়তা ও বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

প্রধান বিচারপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সোমবার বিকেলে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিনি সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি মির্জা ফখরুল ইসলামকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন কার্যক্রম, আদালত পরিচালনার বিষয়াদি ও বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

প্রধান বিচারপতি এ সময় রাষ্ট্রপতির কাছে অতিরিক্ত মামলাজট, প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবলের ঘাটতি ও কাঠামোগত সংকটসহ বিচারাঙ্গনে বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন এবং এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, প্রতিদিন যে পরিমাণ মামলা নিষ্পত্তি হচ্ছে, তার চেয়েও বেশি মামলা দায়ের হচ্ছে। তাই মামলার জট নিরসন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে।

রাষ্ট্রপতি মামলার জট নিরসনে সালিশি নিষ্পত্তি ও গ্রাম আদালত ব্যবস্থার আরও প্রসার এবং কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বিদ্যমান অন্যান্য সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ারও আশ্বাস দেন। এ সময় রাষ্ট্রপতির সচিব, সামরিক সচিব ও প্রেস সচিব উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

×