সীমান্তে চীনের ‘একতরফা’ কিছুর বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়া

প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২০     আপডেট: ০১ আগস্ট ২০২০   

অনলাইন ডেস্ক

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ভারতসহ প্রতিবেশিদের সঙ্গে সীমান্তে চীনের যেকোনো একতরফা কর্মকাণ্ডের বিরোধী অস্ট্রেলিয়া। বৃহস্পতিবার এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার ব্যারি ও’ফ্যারেল। ও’ফ্যারেলের এমন বক্তব্যের জের ধরে তার সঙ্গে টুইটারে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে ভারতে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত সান ওয়েডংয়ের। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া ও জিফাইভ নিউজের। 

বিরোধপূরর্ণূ লাদাখ সীমান্তে সম্প্রতি সেনা মোতায়েন করে রেখেছে চীন। গত ৫ মে সেখানে চীনা সেনাবাহিনীর হামলায় এক মেজরসহ অন্তত ২০ ভারতীয় সেনা নিহত হন। এরপরই দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধংদেহী উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে তা শেষপর্যন্ত যুদ্ধে রূপ না নিলেও এখনও সেখান থেকে সেনা সরায়নি চীন। 

চলমান এই উত্তেজনার মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার ব্যারি ও’ফ্যারেল জানান, লাদাখ সীমান্তে উত্তেজনা নিরসনে ভারতের পাশে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ভারতের গণমাধ্যম এএনআইকে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় (এলএসি) একতরফা উদ্যোগ কেবল উত্তেজনা ও অস্থিতিশীলতাই বাড়ায়। তাই বেইজিংয়ের উচিত সীমান্তে একতরফাভাবে অবস্থা রদবদল করা থেকে বিরত থাকা।’ 

ও’ফ্যারেল আরও বলেন, দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের কর্মকাণ্ড নিয়েও অস্ট্রেলিয়া উদ্বিগ্ন, যা অস্থিতিশীলতা ও উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। তিনি জানান, এ নিয়ে গত ২৩ জুলাই জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে চীনের ‘দক্ষিণ চীন সাগরে অবৈধ সামুদ্রিক দাবি’ প্রত্যাখ্যান করে একটি নোট দাখিল করেছে অস্ট্রেলিয়া। 

এদিকে অস্ট্রেলিয়ার এমন অবস্থানে ক্ষেপেছে চীন। ভারতে অবস্থিত চীনা রাষ্ট্রদূত সান ওয়েডং শুক্রবার টুইটারে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনারের বক্তব্যের বিরোধিতা করেছেন। রাষ্ট্রদূত সান ওয়েডং বলেন, দক্ষিণ চীন সাগরের পরিস্থিতি নিয়ে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনারের মন্তব্য আপত্তিজনক। প্রকৃত তথ্য উপেক্ষা করে এসব মন্তব্য করা হয়েছে। তবে তিনি লাদাখ সীমান্ত নিয়ে বক্তব্যের কোনো জবাব দেননি।