ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দক্ষিণ আফ্রিকায় আবাসিক ভবনে গুলিবর্ষণ, নিহত ১১

দক্ষিণ আফ্রিকায় আবাসিক ভবনে গুলিবর্ষণ, নিহত ১১
×

ছবি: এসএপিএস

বিবিসি

প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৫:১২ | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৫:৪১

দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান শহরের কাছে একটি আবাসিক ভবনে বন্দুকধারীদের গুলিবর্ষণের ঘটনায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার গভীর রাতে কোয়ামাখুথা টাউনশিপের একটি বাড়িতে ঢুকে ১৪ জনের ওপর গুলি চালায় বন্দুকধারীরা। 

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলেই ১০ জন নিহত হন। আহত চারজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে আরও একজনের মৃত্যু হয়। নিহত ও আহতদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে নজর ছিল। তবে তদন্তের স্বার্থে এ বিষয়ে এই মুহূর্তে বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করতে পারছে না।

হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ‘বিপক্ষ গোষ্ঠীর মধ্যকার বিরোধের’ জেরে এ হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

এক বিবৃতিতে পুলিশ জানিয়েছে, ওই বাড়ির ভেতরে ১৩ জন পুরুষ ও একজন নারী পার্টি করছিলেন। ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ সময় তিনজন ব্যক্তি সেখানে এসে তাদের ওপর গুলি চালায়। নিহতদের মধ্যে ওই নারীও রয়েছেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল ইএনসিএর এক প্রতিবেদক জানান, পালিয়ে যাওয়ার আগে বন্দুকধারীরা হতাহতদের একজনের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। ইএনসিএর ফুটেজে গাড়িটিকে সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়া অবস্থায় দেখা গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তারে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে।

বিশ্বে সর্বোচ্চ হত্যাকাণ্ডের হার থাকা দেশগুলোর অন্যতম দক্ষিণ আফ্রিকা। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে প্রতিদিন গড়ে ৬০ জনেরও বেশি মানুষ হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে অন্তত নয়জন নারীকে হত্যার ঘটনায় দেশটিতে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বেড়েছে। নিহত কয়েকজন নারীর মরদেহ রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয়েছিল।

গত বছর জোহানেসবার্গের একটি পানশালায় বন্দুকধারীদের গুলিতে নয়জন নিহত হন।

এলাকা নিয়ন্ত্রণ, মাদক পাচার ও অবৈধ খনিজ উত্তোলনকে কেন্দ্র করে অপরাধী চক্রগুলোর মধ্যে বিরোধ দক্ষিণ আফ্রিকায় সাধারণ ঘটনা। এসব বিরোধ প্রায়ই স্থানীয় পর্যায়ে সহিংসতার জন্ম দেয়।

গত ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা সংগঠিত অপরাধকে ‘গণতন্ত্র, সমাজ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি’ হিসেবে অভিহিত করেন। একই সঙ্গে পুলিশকে সহায়তার জন্য সেনাবাহিনী মোতায়েনের ঘোষণা দেন।

আরও পড়ুন

×