দেশসেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকে নিয়ে ক্রিকেট অঙ্গন গরম। ঠিক সেই সময় গরম খবর দিলেন দেশ সেরা ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। দাবি করলেন, বিসিবির অনেকে সংবাদ মাধ্যমে তার ফিটনেস নিয়ে অসত্য তথ্য দিয়েছেন।

মাশরাফি জোর দাবি করেন, ২০ বছরের ক্যারিয়ারে তিনি কখনও ফিটনেস টেস্টে ফেল করেননি।  তাকে মিথ্যা প্রমাণ করাতে বিসিবিকে তথ্য হাজির করতে বলেন দেশের সর্বোচ্চ ওয়ানডে উইকেট শিকারি। এছাড়া প্রশ্ন রেখেছেন, যারা অসত্য তথ্য দেন, তারা ঠিক মতো অফিস করেন কিনা।

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘৭১ টিভির’ খেলাযোগ অনুষ্ঠানে মাশরাফি এসব দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘আমার ফিটনেস টেস্টে কখনই ফেল নেই, আমি কখনও ক্যামেরার সামনে এসে বলিই নাই। অনেককে বলতে শুনেছি, মাশরাফি পুরোপুরি ফিট নাও থাকতে পারে। আমি তখন অবাক হয়েছি। আসলে তারা কতটুকু তথ্য রাখেন। একজন দর্শক বললে এটা খুবই স্বাভাবিক। উনি অনেক কিছু না জেনেই বলতে পারেন। কিন্তু বিসিবির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে যারা বলতেছেন তারা কোনো তথ্য রাখেন? তারা আদৌ অফিস করেন?’

মাশরাফি বলেন, ‘আমার যতই ইনজুরি আসুক, যা কিছু আসুক, গত ২০ বছরে একটা ফিটনেস টেস্টেও আমার ফেল নাই। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তো আজ থেকে না। ৮০’র (১৯৮০ সাল) পর থেকে ক্রিকেট বোর্ড। আমি ৮০ সালের খেলোয়াড় না, তবে ২০০১ থেকে শুরু করে ২০২০ সাল পর্যন্ত একটা ফিটনেস টেস্টের পরীক্ষার তথ্য বের করে দেন যে, মাশরাফির ফেল আছে।’

২০১১ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপে ফিটনেসের অজুহাত দেখিয়ে দলে নেওয়া হয়নি মাশরাফিকে। আবার ঘরের মাঠে সর্বশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে তাকে দলে নেওয়া হয়নি ফিটনেস নেই বলে। ডাটা বের করে মাশরাফি তাই তার কথা যাচাই করে দেখার জন্য বলেন। বিসিবির জমা রাখা ফাইল থেকে ফিটনেসের বিগত ফল বের করে দেখতে বলেন। তবে বিসিবি যদি ফিটনেস টেস্টের ফলাফল সংরক্ষণ করে না থাকে সেটা আনপ্রফেশনাল হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

গত বছরের মার্চে দেশের পক্ষে সর্বশেষ ম্যাচ খেলা মাশরাফি বলেন, ‘বিপ টেস্ট, স্ট্রেন্থ ট্রেনিং যেকোন জায়গায় আমাকে ফেল দেখাতে পারলে তারপর আপনি কথা বলেন। মারিওর (ফিটনেস কোচ মারিও ভিল্লাভারায়নে) কাছে আপনি চেয়ে নেন। মারিওর কাছে ডাটা তো থাকবেই। অথবা ক্রিকেট বোর্ডের থেকে। বোর্ডের কাছে যদি ডাটা না থাকে তাহলে তো এটা আনপ্রফেশনাল। ক্রিকেট বোর্ডের কাছে তো থাকতে হবে। তো সেগুলো বের করে দেখেন ফেল আছে কি-না।’