রেমিট্যান্সের তেজি ধারা বজায় থাকা নিয়ে শঙ্কা
করোনার কারণে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স কমবে বলে প্রাক্কলন করেছিল বিশ্বব্যাংক, আইএমএফসহ বিভিন্ন সংস্থা। তবে না কমে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে ২০২০ সালে। অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রেমিট্যান্স ৩৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ বেড়েছে। তবে বিভিন্ন কারণে আগামীতে বজায় থাকা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। গতকাল এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত 'সাম্প্রতিক রেমিট্যান্স প্রবাহ :এত টাকা আসছে কোথা থেকে' শিরোনামের ভার্চুয়াল সংলাপে বক্তারা এমন মত দেন। সংলাপে বিদেশ থেকে বাধ্য হয়ে ফেরত আসা কয়েকজন শ্রমিকও অংশ নেন। তারা দেশে সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ করেন।
সংলাপে বক্তাদের কেউ কেউ বলেন, চলতি বছর এ ধারা বজায় থাকবে। কেউ কেউ মনে করেন, আগামী তিন-চার মাস পর তেজিভাব থাকবে না। এর কারণ, বিদেশে অনেকে কাজ হারিয়েছেন। আবার নতুন করে শ্রমিক কম যাচ্ছে। এ অবস্থায় অভিবাসন ব্যয় কমানোএবং কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের মাধ্যমে শ্রমিকদের সমস্যা সমাধান এবং দক্ষ শ্রমিক তৈরির ওপর জোর দিতে হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, পোশাক খাতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রেমিট্যন্সের প্রণোদনা আরও বাড়ানো যেতে পারে। এ ছাড়া বন্ডে এক কোটি টাকা বিনিয়োগের যে ঊর্ধ্বসীমা দেওয়া হয়েছে, তা তুলে নেওয়ার দাবি বিবেচনা করা যেতে পারে। বিদেশ থেকে ফেরত আসা শ্রমিকদের সহায়তা না পাওয়া অপ্রত্যাশিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সিপিডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান বলেন, প্রবাসী আয়ের কারণে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুসহ বিভিন্ন বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে। তবে তাদের জন্য এখনও টেকসই ব্যবস্থা দেওয়া যায়নি। এর অন্যতম কারণ, বিজিএমইএসহ বিভিন্ন সংগঠনের মন্ত্রিসভা, সাংসদসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্ব থাকলেও প্রবাসীদের তা নেই। এখন প্রবাসীদেরও শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে এসডিজি প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, প্রণোদনার পাশাপাশি ভিসা নবায়ন খরচ কমে যাওয়া, হজের খরচ না হওয়া এবং চোরাচালান ও আমদানি কমে যাওয়ায় রেমিট্যন্স বেড়েছে। তবে এ ধারা কতদিন অব্যাহত থাকবে তা নিয়ে অনেকের প্রশ্ন আছে। তিনি বলেন, বিদেশফেরতদের শুধু প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংক নয়, সব ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা যায় কিনা দেখতে হবে।
সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, রেমিট্যান্স বৃদ্ধির ধারা বজায় রাখতে হলে অভিবাসন ব্যয় কমাতে হবে। রামরুর চেয়ারপারসন অধ্যাপক তাসনিম সিদ্দিকী বলেন, কেউ কেউ মনে করেন, কালো টাকা সাদা করতে এখান থেকে অর্থ নিয়ে রেমিট্যান্স আকারে আবার দেশে আনা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি মানেই প্রবাসীরা ভালো আছেন, তেমন নয়। করোনার এ সময়ে প্রায় পাঁচ লাখ শ্রমিক দেশে এসেছেন। যাদের বেশিরভাগই আর যেতে পারেননি। তাদের পাঠানোর উদ্যোগ নিতে হবে।
সেন্টার ফর এনআরবির চেয়ারপারসন এম এস সেকিল চৌধুরী বলেন, যারা কাজ হারিয়ে দেশে ফেরত এসেছেন, তাদের বিষয়ে সরকারকে ভাবতে হবে। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, এমএফএস, এজেন্ট ব্যাংকিং, ওয়ালেটবেজ সেবার মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে সুবিধাভোগীর হাতে অর্থ পৌঁছে যাওয়ায় এখন অনেকে বৈধ পথে টাকা পাঠাচ্ছেন।
আলোচনায় আরও অংশ নেন কাতারস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলর ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, ওয়ারবির চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সৈয়দ সাইফুল হক, ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ, সৌদি আরবের ব্যবসায়ী তাজাম্মুল ইসলাম চৌধুরী, সৌদি আরব ফেরত ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম সুজন, মালয়েশিয়া ফেরত মো. জসিম, ওমান প্রবাসী মোহাম্মদ নাঈম ও আলমগীর হোসেন এবং মালয়োশিয়া ফেরত বশির আহমেদ।
সংলাপে বক্তাদের কেউ কেউ বলেন, চলতি বছর এ ধারা বজায় থাকবে। কেউ কেউ মনে করেন, আগামী তিন-চার মাস পর তেজিভাব থাকবে না। এর কারণ, বিদেশে অনেকে কাজ হারিয়েছেন। আবার নতুন করে শ্রমিক কম যাচ্ছে। এ অবস্থায় অভিবাসন ব্যয় কমানোএবং কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের মাধ্যমে শ্রমিকদের সমস্যা সমাধান এবং দক্ষ শ্রমিক তৈরির ওপর জোর দিতে হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, পোশাক খাতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রেমিট্যন্সের প্রণোদনা আরও বাড়ানো যেতে পারে। এ ছাড়া বন্ডে এক কোটি টাকা বিনিয়োগের যে ঊর্ধ্বসীমা দেওয়া হয়েছে, তা তুলে নেওয়ার দাবি বিবেচনা করা যেতে পারে। বিদেশ থেকে ফেরত আসা শ্রমিকদের সহায়তা না পাওয়া অপ্রত্যাশিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সিপিডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান বলেন, প্রবাসী আয়ের কারণে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুসহ বিভিন্ন বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে। তবে তাদের জন্য এখনও টেকসই ব্যবস্থা দেওয়া যায়নি। এর অন্যতম কারণ, বিজিএমইএসহ বিভিন্ন সংগঠনের মন্ত্রিসভা, সাংসদসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্ব থাকলেও প্রবাসীদের তা নেই। এখন প্রবাসীদেরও শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে এসডিজি প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, প্রণোদনার পাশাপাশি ভিসা নবায়ন খরচ কমে যাওয়া, হজের খরচ না হওয়া এবং চোরাচালান ও আমদানি কমে যাওয়ায় রেমিট্যন্স বেড়েছে। তবে এ ধারা কতদিন অব্যাহত থাকবে তা নিয়ে অনেকের প্রশ্ন আছে। তিনি বলেন, বিদেশফেরতদের শুধু প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংক নয়, সব ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা যায় কিনা দেখতে হবে।
সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, রেমিট্যান্স বৃদ্ধির ধারা বজায় রাখতে হলে অভিবাসন ব্যয় কমাতে হবে। রামরুর চেয়ারপারসন অধ্যাপক তাসনিম সিদ্দিকী বলেন, কেউ কেউ মনে করেন, কালো টাকা সাদা করতে এখান থেকে অর্থ নিয়ে রেমিট্যান্স আকারে আবার দেশে আনা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি মানেই প্রবাসীরা ভালো আছেন, তেমন নয়। করোনার এ সময়ে প্রায় পাঁচ লাখ শ্রমিক দেশে এসেছেন। যাদের বেশিরভাগই আর যেতে পারেননি। তাদের পাঠানোর উদ্যোগ নিতে হবে।
সেন্টার ফর এনআরবির চেয়ারপারসন এম এস সেকিল চৌধুরী বলেন, যারা কাজ হারিয়ে দেশে ফেরত এসেছেন, তাদের বিষয়ে সরকারকে ভাবতে হবে। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, এমএফএস, এজেন্ট ব্যাংকিং, ওয়ালেটবেজ সেবার মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে সুবিধাভোগীর হাতে অর্থ পৌঁছে যাওয়ায় এখন অনেকে বৈধ পথে টাকা পাঠাচ্ছেন।
আলোচনায় আরও অংশ নেন কাতারস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলর ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, ওয়ারবির চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সৈয়দ সাইফুল হক, ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ, সৌদি আরবের ব্যবসায়ী তাজাম্মুল ইসলাম চৌধুরী, সৌদি আরব ফেরত ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম সুজন, মালয়েশিয়া ফেরত মো. জসিম, ওমান প্রবাসী মোহাম্মদ নাঈম ও আলমগীর হোসেন এবং মালয়োশিয়া ফেরত বশির আহমেদ।
