কিশোরগঞ্জে দেশি মাছের সরবরাহ বেড়েছে
কিশোরগঞ্জ শহরের গৌরাঙ্গবাজারে বুধবার বিভিন্ন জাতের দেশি মাছ নিয়ে আসেন এক বিক্রেতা - সমকাল
লকডাউনে কিশোরগঞ্জের বাজারে দেশীয় মাছের সরবরাহ বেড়েছে। করোনার সময়ে তেমন কাজকর্ম না থাকায় লোকজন খালবিল, নদীনালাসহ জলাশয়ে মাছ ধারার নানা উপকরণ নিয়ে নেমে পড়ছেন। নানা প্রকার দেশীয় মাছ ধরে বাজারসহ শহরের অলিগলিতে বিক্রি করছেন অনেকে। তবে সরবরাহের তুলনায় মাছের দাম কিছুটা বেশি বলে শহরের একাধিক বাসিন্দা জানান।
গতকাল শহরের খড়মপট্টি, শোলাকিয়া, বয়লা, হারুয়া, গৌরাঙ্গবাজার এলাকা ঘুরে দেখা গেছে ছোট ছোট ডালা ও ঝুড়িতে করে মাছ বিক্রি করা হচ্ছে। এসবের মধ্যে রয়েছে, মলা, ঢেলা, কই, শিং, পাবদা, চাপিলা, পুঁটি, টেংরা। সারাদিন বিভিন্ন জলাশয়ে শিকার করে গৌরাঙ্গবাজারে তিন ঝুড়ি মাছ নিয়ে বসেন সদর উপজেলার রশিদা গ্রামের সাত্তার (২৩)। দাম জিজ্ঞেস করলে সাত্তার জানান, পাঁচমিশালি দেশীয় মাছ প্রতি কেজি ৪৫০ টাকা দিতে হবে। দামাদামি করলে তিনি ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি করতে রাজি হন। তরতাজা এসব মাছ এক ঘণ্টায় বিক্রি হয়ে যায়।
মৎস্য বিশেষজ্ঞ আজহার উদ্দিন জানান, বর্ষার এই সময় মাছের বংশবৃদ্ধি ঘটে। মা মাছ পেটে ডিম বহন করছে। ডিমসহ মা মাছ ধরা বন্ধ করতে সচেতন এলাকাবাসীকে এগিয়ে আসতে হবে।
গতকাল শহরের খড়মপট্টি, শোলাকিয়া, বয়লা, হারুয়া, গৌরাঙ্গবাজার এলাকা ঘুরে দেখা গেছে ছোট ছোট ডালা ও ঝুড়িতে করে মাছ বিক্রি করা হচ্ছে। এসবের মধ্যে রয়েছে, মলা, ঢেলা, কই, শিং, পাবদা, চাপিলা, পুঁটি, টেংরা। সারাদিন বিভিন্ন জলাশয়ে শিকার করে গৌরাঙ্গবাজারে তিন ঝুড়ি মাছ নিয়ে বসেন সদর উপজেলার রশিদা গ্রামের সাত্তার (২৩)। দাম জিজ্ঞেস করলে সাত্তার জানান, পাঁচমিশালি দেশীয় মাছ প্রতি কেজি ৪৫০ টাকা দিতে হবে। দামাদামি করলে তিনি ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি করতে রাজি হন। তরতাজা এসব মাছ এক ঘণ্টায় বিক্রি হয়ে যায়।
মৎস্য বিশেষজ্ঞ আজহার উদ্দিন জানান, বর্ষার এই সময় মাছের বংশবৃদ্ধি ঘটে। মা মাছ পেটে ডিম বহন করছে। ডিমসহ মা মাছ ধরা বন্ধ করতে সচেতন এলাকাবাসীকে এগিয়ে আসতে হবে।
