কবি ও সাংবাদিক মুশাররাফ করিমের ইন্তেকাল
বাংলা একাডেমির পুরস্কারপ্রাপ্ত কবি ও সাংবাদিক মুশাররাফ করিম আর নেই। তিনি গত শনিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে ময়মনসিংহের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ... রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী, এক মেয়ে, আত্মীয়স্বজন ও বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। গতকাল রোববার বাদ জোহর ময়মনসিংহের চরপাড়ায় জামিয়া ইসলামিয়া প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে ভাটিকাশর পৌর কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়েছে।
শিশু সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক কবি মুশাররাফ করিম ১৯৪৬ সালের ৯ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।
ময়মনসিংহ নগরীর সেহড়া মুন্সিবাড়ি তার পৈতৃক নিবাস। তিনি দৈনিক দেশ পত্রিকায় সাংবাদিকতা শুরু করেন। পরে দৈনিক দিনকালে মফস্বল সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বরেণ্য এই কবি তার কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯৯ সালে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব পদক, ২০০২ সালে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সাংস্কৃতিক ফোরাম ও জয়নুল আবেদিন শিল্পাচার্য পুরস্কার, ২০০৩ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার, জিয়া স্মৃতি পদক, কালচক্র স্বাধীনতা পদক, পূরবী স্বাধীনতা পদক এবং ২০১৯ সালে ময়মনসিংহ রোটারি ক্লাবের পুরস্কারসহ বহু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। এ ছাড়াও তিনি জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ও বাংলা একাডেমির স্থায়ী সদস্য ছিলেন।
তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ২৬টি, শিশু-কিশোর উপন্যাস ১৫টি। মুক্তিযুদ্ধের ওপর তার একটি বইয়ের মুদ্রণ চলছে। তিনি লেখালেখির পাশাপাশি জাপান, থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুর ভ্রমণ করেন।
তিনি অবিভক্ত পূর্ব পাকিস্তান বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ছিলেন ষাটের দশকের আইয়ুববিরোধী আন্দোলনের অন্যতম ছাত্রনেতা। পরে বিভক্ত মেনন গ্রুপ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি হন। এক সময় মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অনুসারী এই কবি মুক্তিযুদ্ধের সময় যেমন দেশের জন্য লিখেছেন, তেমনি নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময় লিখেছেন গণতন্ত্রের জন্য। তার সে সময়ের কবিতাগুলো বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। তিনি ময়মনসিংহ সাহিত্য সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বিরিশিরি উপজাতীয় কালচারাল একাডেমির পরিচালক ছিলেন।
মুশাররাফ করিমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, শোকাহত পরিবারবর্গের মতো আমিও সমব্যথী।
জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি সাইফুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন রোববার এক বিবৃতিতে কবি মুশাররাফ করিমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
শিশু সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক কবি মুশাররাফ করিম ১৯৪৬ সালের ৯ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।
ময়মনসিংহ নগরীর সেহড়া মুন্সিবাড়ি তার পৈতৃক নিবাস। তিনি দৈনিক দেশ পত্রিকায় সাংবাদিকতা শুরু করেন। পরে দৈনিক দিনকালে মফস্বল সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বরেণ্য এই কবি তার কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯৯ সালে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব পদক, ২০০২ সালে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সাংস্কৃতিক ফোরাম ও জয়নুল আবেদিন শিল্পাচার্য পুরস্কার, ২০০৩ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার, জিয়া স্মৃতি পদক, কালচক্র স্বাধীনতা পদক, পূরবী স্বাধীনতা পদক এবং ২০১৯ সালে ময়মনসিংহ রোটারি ক্লাবের পুরস্কারসহ বহু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। এ ছাড়াও তিনি জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ও বাংলা একাডেমির স্থায়ী সদস্য ছিলেন।
তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ২৬টি, শিশু-কিশোর উপন্যাস ১৫টি। মুক্তিযুদ্ধের ওপর তার একটি বইয়ের মুদ্রণ চলছে। তিনি লেখালেখির পাশাপাশি জাপান, থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুর ভ্রমণ করেন।
তিনি অবিভক্ত পূর্ব পাকিস্তান বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ছিলেন ষাটের দশকের আইয়ুববিরোধী আন্দোলনের অন্যতম ছাত্রনেতা। পরে বিভক্ত মেনন গ্রুপ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি হন। এক সময় মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অনুসারী এই কবি মুক্তিযুদ্ধের সময় যেমন দেশের জন্য লিখেছেন, তেমনি নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময় লিখেছেন গণতন্ত্রের জন্য। তার সে সময়ের কবিতাগুলো বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। তিনি ময়মনসিংহ সাহিত্য সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বিরিশিরি উপজাতীয় কালচারাল একাডেমির পরিচালক ছিলেন।
মুশাররাফ করিমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, শোকাহত পরিবারবর্গের মতো আমিও সমব্যথী।
জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি সাইফুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন রোববার এক বিবৃতিতে কবি মুশাররাফ করিমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
