ঢাকা রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পটিয়ায় পুলিশের বাবুর্চি রোহিঙ্গা

পটিয়ায় পুলিশের বাবুর্চি রোহিঙ্গা

প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০১৯ | ১৭:৩৩ | আপডেট: ৩১ অক্টোবর ২০২৩ | ১৫:৫৩

চট্টগ্রামের পটিয়া ক্রসিং হাইওয়ে পুলিশ মেসের বাবুর্চির দায়িত্ব পালন করছে রোহিঙ্গা নাগরিক সিরাজুল ইসলাম। তা অস্বীকার করে পটিয়া ক্রসিং হাইওয়ে পুলিশের ওসি বিমল চন্দ্র ভৌমিক জানান, 'সিরাজের বাড়ি ফাঁড়ির পাশে। সে এ দেশেরই নাগরিক।'
অন্যদিকে, রোহিঙ্গা সিরাজ স্বীকার করে, 'আমার মূল বাড়ি মিয়ানামারে। দশ বছর আগে বাংলাদেশে এসেছি। এ ফাঁড়িতে শুরু থেকে বাবুর্চির সহকারী হিসেবে কাজ করলেও এখন বাবুর্চির দায়িত্ব পালন করছি। প্রতি মাসে আমি নয় হাজার টাকা পারিশ্রমিক পাই।'
সিরাজ আরও জানায়, 'সে ছোটকালে মিয়ানমার থেকে তার বাবা-মার সঙ্গে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা
এলাকায় আসে। সেখানে জামালপাড়া গ্রামে ঘর ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছে। তার ছোট বোন রমজান বিবি পুলিশ ফাঁড়ির পাশে এ জে চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে।'
এতে বিস্ময় প্রকাশ করে স্থানীয় কর্ণফুলী উপজেলার আওতাধীন শিকলবাহা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম জানান, 'রোহিঙ্গাদের কারণে এলাকায় চুরি-ডাকাতি ও অপকর্ম বাড়ছে। ফলে সরকার এসব অনুপ্রবেশকারীকে আটক করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঠাচ্ছে। এ দায়িত্ব পালন করছে খোদ পুলিশ। আর সেই পুলিশের মেসে পারিশ্রমিকের বিনিময়ে কাজ করছে রোহিঙ্গা নাগরিক।
এ পুলিশ ফাঁড়ির বিপরীত পাশে কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদ। উপজেলা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে রোহিঙ্গাদের এমন বিচরণ অবাক করার মতো।
শিকলবাহা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শিকলবাহা এখন ইয়াবার স্বর্গরাজ্য। এখানে প্রতিনিয়ত জঘন্যতম অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে। আমার ইউনিয়নের জামালপাড়ায় গড়ে উঠেছে রোহিঙ্গা বসতি।
কর্ণফুলী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারুফা নেলী জানিয়েছেন, 'এ বিষয়টি আমরা দেখছি। ইউএনওর সঙ্গে আলাপ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

আরও পড়ুন

×