১৪ বছরেও চালু হয়নি শায়েস্তাগঞ্জ-বাল্লা রেললাইন। হবিগঞ্জ সদর থেকে চুনারুঘাটের সীমান্ত এলাকা বাল্লা পর্যন্ত প্রায় ৪৫ কিলোমিটার রেললাইন স্থাপিত হয় ১৯২৮ সালে। আগে এ লাইনে ট্রেন চলত নিয়মিত। সীমান্ত এলাকার মানুষদের জন্য জেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমও ছিল ট্রেন। আয়ও হতো ভালো। কিন্তু কোনো ঘোষণা ছাড়াই ২০০৩ সালে এ পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে এ রেলপথটি। এরপর থেকে কোটি কোটি টাকার রেল সম্পদ লুটপাট হতে থাকে।
এরই মধ্যে পথটির মূল্যবান যন্ত্রপাতি ও স্টেশন ঘরের আসবাবপত্র লুটপাট হয়ে গেছে। এখন চলছে রেলপথের জমি দখল। একশ্রেণির মানুষ এসব জমি দখল করে ইমারত নির্মাণ করছে। চাষ করছে নানা ফসল। ২০০৫ সালের দিকে সড়ক করার অজুহাতে হবিগঞ্জ বাজার থেকে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার রেলপথ তুলে ফেলা হয়।
শায়েস্তাগঞ্জ-বাল্লা রেললাইনের প্রায় ৩০ কিলোমিটার পথে রেলের পাত, পাথর, সিগন্যাল তার, নাট- বোলট ও ওজন মাপার যন্ত্রপাতি এবং ৭টি স্টেশনের অবকাঠামোসহ কোটি কোটি টাকার মালপত্র যে যেভাবে পারছে নিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনের স্টেশন মাস্টার মোয়াজ্জাল হক রেজা জানান, রেলপথের উন্নয়নে কাজ চলছে। বাল্লা রেলপথে চুরি রোধের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ পথে অচিরেই সংস্কার কাজ শুরু হতে পারে।

মন্তব্য করুন