প্রশাসনের তথ্য সংশোধন, বিএম ডিপোতে নিহত ৪১
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২২ | ০২:৫৪ | আপডেট: ০৬ জুন ২০২২ | ০৫:২৩
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বিএম কন্টেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হতাহতের তথ্য সংশোধন করে নিহতের সংখ্যা ৪১ জনে নামিয়ে এনেছে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।
সোমবার সমন্বিতভাবে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী, গাউসিয়া কমিটিসহ একেক সংস্থা একে তথ্য দেওয়ায় নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ায়।
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমান বলেন, চট্টগ্রামের জেনারেল হাসপাতালে কিছু লাশ নেওয়া হয়। সেখানে একবার গণনা করা হয়। আবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে সেগুলো আবার গণনা করা হয়। তাতে সংখ্যা বেড়ে ৪৯ হয়ে গিয়েছিল। এখন সমন্বিতভাবে আলোচনা ও তথ্য নিয়ে ৪১ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে।
শনিবার রাত ৯টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে বেসরকারি ওই কন্টেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। সেখানে থাকা রাসায়নিকের কন্টেইনারে একের পর এক বিকট বিস্ম্ফোরণ ঘটতে থাকলে আগুন ভয়ঙ্কর মাত্রা পায়। রোববার দিনভর চেস্টা চালিয়েও তা নেভানো যায়নি। তবে আগুন এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। রোববার সকালে ডিপোতে আগুন কমে আসলে গাউসিয়া কমিটির স্বেচ্ছাসেবকরা একে একে সব মরদেহ বের করে আনে।
ডিপো থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে শহরের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তির শেষে রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেলা প্রশাসন ও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় মৃতের সংখ্যা নিয়ে তিন রকমের তথ্য জানানো হয়।
হাসপাতালে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা ৪১টি মরদেহ থাকার কথা বললেও রাতে জেলা প্রশাসন নিহতের সংখ্যা জানায় ৪৫। রাত ১০টায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ফেইসবুক পেইজে নিহতের সংখ্যা দেয়া হয় ৪৯ জন। এরপর তা দুইবার সংশোধন করে ৪৫ জন ও ৪৬ জন করা হয়। পরে রাত ১১টা ২০ মিনিটে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কন্ট্রোল রুম থেকে জানায়, নিহতের সংখ্যা ৪৯ জনই হবে।
বিএম ডিপোর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চমেকে হাসপাতালে ২১০ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। ১৫৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হন। এখন ভর্তি আছেন ১০২ জন। সিএমএইচে ১৪জন এবং জেনারেল হাসপাতালে ২ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন। বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে আছেন আরও ১১ জন