ঢাকা বুধবার, ২২ মে ২০২৪

‘বেতন না পাওয়ার হতাশায়’ ল্যাব সহকারীর আত্মহত্যা

‘বেতন না পাওয়ার হতাশায়’ ল্যাব সহকারীর আত্মহত্যা

ছবি- সংগৃহীত

খোকসা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৭ মার্চ ২০২৪ | ২১:০০

চাকরি এমপিওভুক্ত না হওয়া এবং বিদ্যালয় অংশের বেতন বন্ধ হওয়ার হতাশা থেকে খোকসার সেনগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ল্যাব সহকারী সোহাগ হোসেন (২৫) বিষপান করে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার গভীর রাতে হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

সোহাগ কুষ্টিয়ার খোকসার কালীবাড়ি পাড়ার সুতা ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলামের ছেলে। তিনি সেনগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শাখার জেনারেল ইলেট্রিক্যাল ল্যাব সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে সোহাগ নিজ বাড়িতে বিষপান করেন। বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেন। সেখানে তিনি মারা যান।

সোহাগের চাচা আব্দুল্লাহ বৃহস্পতিবার জানান, চার বছর আগে সেনগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভোকেশনাল শাখায় সোহাগের চাকরি হয়। স্কুলের এমপিও থাকলেও ভোকেশনাল শাখা এমপিওভূক্ত হয়নি। আট মাস ধরে বিদ্যালয় থেকে যাতায়াত খরচের টাকাও বন্ধ করে দেওয়া হয়। চাকরি এমপিওভুক্ত না হওয়া এবং বেতন না পাওয়ার হতাশা থেকে সোহাগ আত্মহত্যা করছেন বলে দাবি করেন তিনি।

সেনগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সম্পদ কুমার আচার্য জানান, কোনো প্রতিষ্ঠানেরই ভোকেশনাল শাখার এমপিও নেই। সেখানের শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকারি অংশের বেতন পান না। ওই শাখার ছাত্রদের বেতন থেকে আয় দিয়ে তাদের বেতন হয়। ছাত্র কম থাকায় কয়েক মাস বেতন আটকে থাকে। তারা ভোকেশনাল শাখা এমপিওভুক্ত করার চেষ্টা করছেন।

আরও পড়ুন

×