বাংলাদেশের পাটের সুতায় ৪৪৫ ডলার অ্যান্টিডাম্পিং শুল্ক আরোপ ভারতের
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১১:০৬
বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পাটজাত পণ্যের ওপর আরোপিত অ্যান্টিডাম্পিং শুল্কের হার পুনর্বিন্যাস করেছে ভারত সরকার। নতুন হারে পাটের সুতা বা টুইনে টনপ্রতি ৪৪৫ ডলার পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার নতুন এই পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত বিশেষ একটি গেজেট প্রকাশ করেছে ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয়ের রাজস্ব বিভাগ। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠান ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ট্রেড রেমিডিজের (ডিজিটিআর) পরিচালিত মধ্যবর্তী পর্যালোচনার সুপারিশের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
গেজেট অনুযায়ী, বাংলাদেশের সব প্রতিষ্ঠানের পণ্যে সমহারে এই অ্যান্টিডাম্পিং কার্যকর হচ্ছে না। ভারতে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের পণ্যে এই হার কিছুটা কম। আবার তালিকাভুক্ত সব প্রতিষ্ঠানের সমমানের পণ্যেও অভিন্ন শুল্ক ধার্য করা হয়নি। তালিকায় বিশেষভাবে নাম উল্লেখ নেই– এমন সব বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পাটের সুতা বা টুইনে প্রতি টনে শুল্কহার ৪৪৫ ডলার, হেসিয়ান ফ্যাব্রিকসে ৮৮ ডলার ও স্যাকিং ব্যাগে ২৮৩ ডলার প্রতি টন শুল্ক প্রযোজ্য হবে।
অন্যদিকে এ. এম. জুট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবং বোনাঞ্জা জুট কম্পোজিট অ্যান্ড ডাইভার্স ফ্যাক্টরি লিমিটেডসহ কয়েকটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে অ্যান্টিডাম্পিং শুল্কহার শূন্য ধরা হয়েছে। হাসান জুট মিলস, জনতা জুট মিলস, সাদাত জুট ইন্ডাস্ট্রিজ, আফিল জুট উইভিং মিলস, সুপার জুট মিলসসহ অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর পণ্যভেদে প্রতি টনে ৬৯ থেকে ১৫৫ ডলার পর্যন্ত অ্যান্টিডাম্পিং শুল্ক ধার্য করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ছাড়াও নেপাল থেকে আমদানি করা পাটপণ্যেও নতুন করে অ্যান্টিডাম্পিং শুল্ক পুনর্বিন্যাস করেছে ভারত। তবে তা বাংলাদেশের পণ্যের তুলনায় কিছু কম। দেশটির তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের বাইরের প্রতিষ্ঠানের পণ্যে টনপ্রতি সর্বোচ্চ ২৯২ ডলার পর্যন্ত শুল্ক ধার্য করা হয়েছে। তালিকাভুক্ত কিছু প্রতিষ্ঠানের পণ্যে শূন্য শুল্ক ঘোষণা করা হয়েছে।
- বিষয় :
- পাট