ঢাকা সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘মায়ের দুধ পাচ্ছে ৫৫ শতাংশ শিশু’

‘মায়ের দুধ পাচ্ছে ৫৫ শতাংশ শিশু’
×

সংবাদ সম্মেলন

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৫ | ১৫:১৭ | আপডেট: ১৩ আগস্ট ২০২৫ | ১৫:৩১

দেশে জন্মের পর থেকে পাঁচ মাস বয়সের শিশুদের শুধু বুকের দুধ পানের হার এখন ৫৫ শতাংশ। ২০১৭-১৮ সালে এ হার ছিল ৬৫ শতাংশ। বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানানো হয়। 

সংবাদ সম্মেলনে মূল্য উপস্থাপন করেন শিশু-মাতৃ স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও বাংলাদেশ নিওনেটাল ফোরামের (বিএনএফ) মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মো. মজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন- ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক জনকণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক খুরশিদ আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক কালবেলার ডেপুটি এডিটর দিপংকর লাহিরী ও দৈনিক যায়যায়দিনের বিশেষ প্রতিনিধি এ কে এম সাখাওয়াত হোসেন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক সুফিয়া খাতুন, অধ্যাপক লায়লা আর্জুমান্দ বানু, অধ্যাপক মো. মনির হোসেন।

ডা. মো. মজিবুর রহমান শিশুর জন্য মায়ের দুধের গুরুত্ব, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মায়ের দুধের বিকল্প দুগ্ধ ব্যবহারের আইন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে বলেন, ২০১৪ সালে এ হার ৫৫ শতাংশ, ২০১১ সালে ৬৪ শতাংশ, ২০০৭ সালে ৪৩ শতাংশ এবং ২০০৪ সালে ৪২ শতাংশ ছিল। শিশুর বুদ্ধিমত্তা ও শারীরিক বিকাশ, অপুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধে মায়ের দুধের বিকল্প নেই। শিশুর জন্মের প্রথম ছয় মাস শুধু মায়ের বুকের দুধ পান করানোর বিধান রয়েছে। কিন্তু দেশে মায়ের বুকের দুধ পান করানোর হারে বড় ধরনের অবনতি হয়েছে। এ হার ১০ শতাংশ। কমে এক যুগ আগের অবস্থায় ফিরে গেছে।

তিনি আরও বলেন, অথচ মায়ের বুকের দুধ শিশুর জন্য সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। জন্মের পর থেকে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত মানবশিশু শুধু দুধ পান করেই জীবন ধারণ করতে পারে। দুই বছর পর্যন্ত মায়ের দুধ পান করানো হলে শিশু সুস্থ ও সবল হিসেবে গড়ে ওঠে। মায়ের দুধে রয়েছে প্রায় ৮৭% পানি, ৬.৫-৭.২% ল্যাকটোজ (শর্করা), ৩-৪% চর্বি, ১-১.৫% প্রোটিন, ০.২% মিনারেল (খনিজ) এবং প্রচুর পরিমাণে চর্বি এবং পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। তা ছাড়া বিভিন্ন ধরনের বিপাকীয় কর্মে অংশ নেওয়ার জন্য দুধে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এনজাইম।

আরও পড়ুন

×