ডিএসসিসির তদন্ত প্রতিবেদন
বঙ্গবাজারের আগুনে ৩০৩ কোটি টাকার ক্ষতি
ফাইল ছবি - সমকাল
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১১ এপ্রিল ২০২৩ | ১৬:৩০ | আপডেট: ১১ এপ্রিল ২০২৩ | ১৬:৩০
ডিএসসিসি মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের কাছে আজ মঙ্গলবার বিকেলে জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়।
ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের জানান, মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের কাছে আজ বিকেলে কমিটির সভাপতি ও নগর সংস্থার অঞ্চল-১ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মেরীনা নাজনীন প্রতিবেদনটি দাখিল করেন।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সব মিলিয়ে ৩ হাজার ৮৪৫টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ডিএসসিসির তদন্ত কমিটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে। এতে মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৩০৩ কোটি ৫ লাখ টাকা।
এর মধ্যে অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এ ছাড়া পণ্যের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ২৮৮ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।
ভয়াবহ ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সে সর্বোচ্চ ২২২ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে ১০টি সুপারিশ করেছে কমিটি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ডিএসসিসি এলাকায় কোনো কাঠের/টিনশেন মার্কেট না রাখা, কংক্রিট বা পাকা ভবন তৈরি করা, পর্যাপ্ত অগ্নিনিরোধক সামগ্রী রাখা, মার্কেটগুলোর ভেতরে পর্যাপ্ত ফাঁকা জায়গা সংরক্ষণ, আধুনিক বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, ওয়াটার রিজার্ভার রাখা ও নগরীতে জলাধার নিশ্চিত করা।
গত ৪ এপ্রিল সকাল সোয়া ৬টায় রাজধানীর বঙ্গবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে একে একে ফায়ার সার্ভিসের অর্ধশত ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। তাদের সঙ্গে পুলিশ, র্যাব, সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও সশস্ত্র বাহিনীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তার আগেই আগুনে সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হন বঙ্গবাজারের কয়েক হাজার ব্যবসায়ী।
এই অগ্নিকাণ্ডের পেছনে নাশকতার কোনো ইঙ্গিত তদন্ত কমিটি পায়নি। সিগারেট অথবা মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করছে কমিটি।
আরও পড়ুন
পুরনো বাণিজ্য মেলার মাঠ ও রায়েরবাজার থেকে ককটেল ও পেট্রলবোমা উদ্ধার
আপডেট ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২২:২৯