সিগারেটের বিক্রয় মূল্যের ওপর কর আদায়ের পরামর্শ
প্রতীকী ছবি
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ২২:৪৯ | আপডেট: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ২২:৪৯
সিগারেট ও বিড়ি নির্ধারিত খুচরা মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। অতি উচ্চ ও উচ্চস্তরের ২০ শলাকার সিগারেটের প্যাকেট নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের চেয়ে ২৫ টাকা বেশি দরে বিক্রি হয়। কিন্তু এই বাড়তি মূল্যের ওপর সরকার কোনো কর পায় না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যুরো অব ইকোনমিক রিসার্চ (বিইআর) ও বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর টোব্যাকো ট্যাক্স পলিসির (বিএনটিটিপি) এক গবেষণায় এসব তথ্য পাওয়া গেছে। রোববার এক অনুষ্ঠানে গবেষণা প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করা হয়। আলোচনায় সিগারেটের বিক্রয় মূল্যের ওপর কর আদায়ের পরামর্শ দেন বক্তারা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গবেষণার ফল তুলে ধরেন অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. রুমানা হক। তিনি বলেন, বাজারে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, অতি উচ্চস্তরের ২০ শলাকার এক প্যাকেট সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ২৭০ টাকা, কিন্তু সেগুলো গড়ে ২৯৪ টাকা ২৯ পয়সায় বিক্রি হচ্ছে। আবার উচ্চস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ২০৪ টাকার পরিবর্তে ২২৯ টাকা ৮৮ পয়সা, মধ্যম স্তরের সিগারেট ১২৬ টাকার পরিবর্তে ১৩৫ টাকা ৮৬ পয়সা এবং নিম্নস্তরের সিগারেট ৭৮ টাকার পরিবর্তে ৯৫ টাকা ১৫ পয়সায় বিক্রি হচ্ছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, বিড়ির ক্ষেত্রেও একই রকমভাবে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি দোকানেও সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সিগারেট ও বিড়ি বিক্রি হয়। ফলে বিড়ি-সিগারেট বেশি দামে বিক্রি হলেও সরকার রাজস্ব পাচ্ছে না।
গবেষণা প্রতিবেদনটি তৈরিতে ঢাকা, বরিশাল, খুলনা ও ময়মনসিংহসহ মোট ১২টি শহর থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। আলোচনায় স্তরভিত্তিতে সিগারেটের কর আদায় পদ্ধতি পরিবর্তন করে সুনির্দিষ্ট করারোপ করার সুপারিশ করা হয়।
- বিষয় :
- সিগারেট
- বিড়ি
- সিগারেট বিক্রি
- কর আদায়
- বাড়তি কর