ঢাকা বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

নার্ভাস হওয়ার কোনো কারণ দেখছি না: অরুণা বিশ্বাস

নার্ভাস হওয়ার কোনো কারণ দেখছি না: অরুণা বিশ্বাস

অরুণা বিশ্বাস

অনিন্দ্য মামুন

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৩ | ০৭:১৩ | আপডেট: ৩১ অক্টোবর ২০২৩ | ০৭:২৮

বাংলা চলচ্চিত্রের একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস। ১৯৮৬ সালে রাজ্জাক পরিচালিত ‘চাঁপাডাঙ্গার বউ’ ছবিতে বাপ্পারাজের নায়িকা হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু অরুণার। এর আগে তিনি মঞ্চ ও টিভি নাটকে কাজ করেছেন। এবার প্রথমবারের মতো চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে হাজির হচ্ছেন। তার নির্মিত অসম্ভব সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে ৩ অক্টোবর। প্রথম  চলচ্চিত্র নির্মাণ নিয়ে কথা হয় এই অভিনেত্রীর সঙ্গে

প্রথমবার নির্মাতা হিসেবে অভিষেক হচ্ছে, নার্ভাস নাকি আশাবাদী?

নার্ভাস হওয়ার তো কোনো কারণ দেখছি না। আগে ক্যামেরার সামনে কাজ করেছি, এবার সামনে-পেছনে দুই জায়গাতেই কাজ করলাম; পার্থক্য শুধু এটুকুই। তবে ভীষণ রকম আশাবাদী। এসিনেমার প্রত্যেকেই যেভাবে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করেছি, সবাই নিজের সিনেমা মনে করে কাজ করেছি, তাতে আমি মুগ্ধ এবং প্রচুর আশাবাদী। তাদের পরিশ্রম বিফলে যাবে না। দর্শক সিনেমাটি গ্রহণ করবেন।

সিনেমাটিতে দর্শক গ্রহণ করার মতো এমন কী রয়েছে?

এক কথায় বলতে গেলে সবই রয়েছে এ সিনেমায়। সবচেয়ে বেশি যা রয়েছে, তা হচ্ছে সবার আশীর্বাদ। একঝাঁক দক্ষশিল্পী ও কলাকুশলীর পরিশ্রম এবং সুন্দর গল্প। যে গল্পে রয়েছেদেশও দেশের ঐতিহ্যবাহী যাত্রাশিল্পের নানা দিক। যে দিকগুলো দারুণভাবে অভিনয়ের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেনআবুল হায়াত, সোহানা সাবা, শতাব্দী ওয়াদুদ, গাজী আব্দুন নূর, স্বাগতা, যাত্রাসম্রাজ্ঞী জ্যোৎস্না বিশ্বাস। গল্পে এমন শিল্পীদের অভিনয় থাকলে আর কী লাগে?

আপনার প্রথম নির্মাণ। একজন নারী নির্মাতা হিসেবে ছবিটি বানাতে গিয়ে কোনো প্রতিকূলতার মুখে পড়েছিলেন?

একেবারেই না। সিনেমাটি সরকারি অনুদানে নির্মিত হয়েছে। সরকার আমাকে সিনেমাটি নির্মাণে যে অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে, তার পুরোটাই এখানে খরচ করা হয়েছে। একটি পয়সাও নিজের জন্য রাখিনি। সবচেয়ে বড়কথা, যেহেতু আমি দীর্ঘদিন ধরেই চলচ্চিত্র এবং নাটকে অভিনয় করছি, তাই সবাই সিনেমাটিকে নিজের সিনেমা হিসেবে মনে করেইশতভাগ মনোযোগ দিয়ে কাজ করেছেন। আমরা সবাই একটি পরিবারের মতো হয়েই কাজ করেছি। শুধু আমি নই, সিনেমার কেউ বলতে পারবে না– কোনা প্রতিকূল পরিবেশ বা খারাপ কিছুর মধ্য দিয়ে আমাদের যাত্রা হয়েছে।

সিনেমাটিকে কি আপনার পারিবারিক বায়োগ্রাফি বলা যায়?

একদমই না। অনেকেই এমনটি ভাবতে পারেন। কারণ, আমার বাবা-মা অমলেন্দু বিশ্বাস ও জোৎস্না বিশ্বাস উভয়েই যাত্রাশিল্পের বিখ্যাত মানুষ। গল্পটি তাদের জীবনী টাইপ কিছু নয়। এটি দেশের বিলুপ্ত হতে যাওয়া পুরো যাত্রাশিল্পের গল্প; যে গল্পের কারিগর প্রসূন বিশ্বাস মিঠু। মিঠু আর মুজতবা সউদ মিলে সংলাপ রচনা করেছেন। এটি পুরোপুরি সিনেমা। আমাদের পারিবারিক বায়োগ্রাফি নয়।

আরও পড়ুন

×