রাক্ষসের ট্রেলার দেখে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন জিৎ, জানিয়েছেন শুভকামনাও
সুস্মিতা চ্যাটার্জি। ছবি: ফেসবুক
বুলবুল ফাহিম
প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৬ | ১৫:২০ | আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২৬ | ১৬:০২
সুস্মিতা চ্যাটার্জি। আড়াই বছরের মধ্যেই টালিউডে শক্ত অবস্থান করে নিয়েছেন। প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি, দেব এবং জিতের মতো সুপারস্টারের সঙ্গে কাজ করেছেন। এবার তিনি হাজির হলেন নায়ক সিয়াম আহমেদের সঙ্গে, বাংলাদেশি সিনেমায়। ঈদ উপলক্ষে মুক্তি পাওয়া ‘রাক্ষস’ প্রচারে অংশ নিতে ঢাকায় এসেছেন তিনি। প্রচারের ফাঁকে কথা হয় তাঁর সঙ্গে
বাংলাদেশে এসে কেমন লাগছে?
গেল ১৭ ডিসেম্বর প্রথম এসেছিলাম। এবার দ্বিতীয়বারের মত বাংলাদেশে এলাম। এবারের আসাটা কিছুটা ভিন্ন। কারণ, বাংলাদেশের আমার অভিনীত সিনেমা ‘রাক্ষস’ মুক্তি পেয়েছে। কলকাতা থেকে রিভিউ দেখছিলাম। এখন ঢাকায় এসে সরাসরি দর্শকের প্রতিক্রিয়া পাচ্ছি। নিজেকে স্পেশাল মনে হচ্ছে। এই ভালোলাগা বলে প্রকাশ করার মতো না।
‘রাক্ষস’-এর গল্প বেটার চয়েস ছিল?
নির্মাতা মেহেদী হাসান হৃদয় যখন আমাকে গল্পটা শোনায় তখনই আমার ভালো লেগেছে। সেই সঙ্গে আমার চরিত্রটা বিশেষ মনে হয়েছিল। এমন একটি গল্প আমার স্বপ্ন ছিল। তাই শোনার পর রাজি হয়ে গেছি।

নিজেকে স্ক্রিনে দেখার পর কেমন লাগছে?
ঢাকায় আসার আগ পর্যন্ত অনেক উত্তেজিত ছিলাম। মনে হচ্ছিল কখন নিজেকে বড় পর্দায় দেখবো। স্ক্রিনে নিজেকে দেখার পর মনে হয়ে সত্যি আমি জীবনে দারুণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
একই নির্মাতার সঙ্গে ঈধিকা পাল কাজ করেছে...
প্রথম কথা, হৃদয়ের সঙ্গে কাজ করাটা হলো ম্যাজিক। কারণ, শুটের আগে সে প্রত্যেকটি ক্যারেক্টার ভালোভাবে বুঝিয়ে দেন। এটা আমার জন্য ভালো হয়েছে। বলেতে গেলে ওষুধ তৈরি করে মুখে তুলে খাইয়ে দেওয়ার মতো। বাংলাদেশের দর্শক যেভাবে আমাকে ভালোবাসা দিচ্ছে, এতোটা আশা করিনি। জনপ্রিয়তার পাশাপাশি আরও অনেক কাজ করতে চাই। সবার সঙ্গে কাজ করতে চাই। এর চেয়ে আপাতত আর কোনো চিন্তা করি না।
সিয়ামের সঙ্গে কি আগে থেকে পরিচয় ছিল?
না, আমাদের আগে কোনো পরিচয় ছিল না। সিনেমায় কাজের সুবাদেই ওর সঙ্গে আমার প্রথম দেখা, পরিচয়। তবে খুব দ্রুত আমরা বন্ধু হয়ে গেছি।
‘রাক্ষস’ সিনেমা করতে গিয়ে কি সিয়ামের প্রেমে পড়েছেন?
এই সিনেমা করতে গিয়ে দিয়া অবশ্যই প্রেমে পড়েছে কিন্তু সিয়াম তো আমার বন্ধু। বলতে পারেন সুস্মিতা ও সিয়ামের মধ্যে খুব ভালো বন্ধুত্ব আছে। সিয়াম অনেক হেল্পফুল। সবচেয়ে বড় কথা হল আমরা অনেক আলোচনা করে দৃশ্যগুলো করেছি।

এখানে কাজ করার পর কলকাতার শিল্পী-নির্মাতারা আপনাকে কীভাবে নিচ্ছেন..
সবাই আমাকে স্বাগত জানিয়েছে। বিশেষ করে টিজার-ট্রেলার প্রকাশ্যে পর থেকে অনেকেই আমাকে ফোন করে স্বাগত জানিয়েছেন। সিনেমার মুক্তির পর দর্শকের প্রতিক্রিয়া দেখেও অনেকেই ফোন করেছেন। বিশেষভাবে সুপারস্টার জিৎ স্যারের কথা বলতে হয়। কারণ, তিনি আমাকে উৎসাহ দেন। আজও তিনি ফোন করে খোঁজ খবর দিলেন। দারুণ লাগলো।
সুপারস্টার জিৎ ‘রাক্ষস’ নিয়ে কী বলেছেন...
সিনেমার ট্রেলার প্রকাশ পাওয়ার পর আমি সেটা জিৎ স্যারকে পাঠিয়েছিলাম। ট্রেলার দেখে আমাকে স্বাগত জনিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘এই সিনেমাটি ভালো হবে’। সিনেমা মুক্তির পর তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তিনি অনেক খুশি।
কাল কলকাতায় ফিরে যাবেন, যাওয়ার সময় কোন অনুভূতি নিয়ে যাচ্ছে?
আগে বাংলাদেশে আসলেও এবারের আসাটা ভিন্ন। আগে যখন এসেছে তখন কেউ মানুকে চিনতো না। বিশেষ করে বাংলাদেশের মানুষ। এবার একটি সিনেমা, বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা ও বড় স্বপ্ন নিয়ে নিজ দেশে (ভারতের কলকাতা) ফিরে যাচ্ছি। তবে এটা বেশি দিনের জন্য না। কারণ, আমি বারবার এদেশের মানুষের কাছে আসতে চাই।
- বিষয় :
- সুস্মিতা চ্যাটার্জি
- বিনোদন
- টালিউড