ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বইয়ের প্রতি অনাগ্রহকের গল্পে 'বই পোকা', প্রশংসায় বাসার-সাদনিমার রসায়ন

বইয়ের প্রতি অনাগ্রহকের গল্পে 'বই পোকা', প্রশংসায় বাসার-সাদনিমার রসায়ন
×

ছবি: সংগৃহীত

বিনোদন প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬ | ১৩:১৯ | আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬ | ১৩:২১

কোরবানি ঈদ উপলক্ষে টেলিভিশন ও ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচার হয়েছে অসংখ্য নাটক। সেই ভিড়ে দর্শকদের বিশেষভাবে নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে নাটক ‘বই পোকা’। ব্যতিক্রমী গল্প, হৃদয়ছোঁয়া সংলাপ এবং খায়রুল বাসার ও সাদনিমা বিনতে নোমানের অনবদ্য রসায়ন নাটকটিকে দর্শকদের কাছে প্রশংসা পাচ্ছে। 

আকবর হায়দার মুন্নার গল্প ভাবনায় নির্মিত নাটকটির চিত্রনাট্য লিখেছেন লিমন আহমেদ এবং পরিচালনা করেছেন তপু খান। গত ২ জুন ইউটিউব চ্যানেল ক্লাব ইলেভেন এন্টারটেইনমেন্টে মুক্তি পাওয়ার পর অল্প সময়েই দর্শকদের ব্যাপক সাড়া পায় নাটকটি। প্রচারের মাত্র চার দিনের মাথায় নাটকটি প্রায় ৯ লাখের বেশি দর্শক দেখেছেন। মন্তব্যের ঘরেও দেখা গেছে প্রশংসার বন্যা। দর্শকরা গল্প, নির্মাণশৈলী এবং অভিনয়শিল্পীদের পারফরম্যান্সের  প্রশংসা করছেন।

গড়পড়তা ট্রেন্ডি কমেডি কিংবা চটুল গল্পের বাইরে গিয়ে ‘বই পোকা’ তুলে ধরেছে এক ভিন্নধর্মী পারিবারিক ও রোমান্টিক গল্প। নাটকটিতে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতি মানুষের অতিরিক্ত আসক্তি, এর নেতিবাচক প্রভাব এবং বই ও সাহিত্যের প্রতি নতুন প্রজন্মের অনাগ্রহকে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে।

নির্মাতা তপু খান বলেন, নাটকটিতে সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষতিকর প্রভাব এবং এর প্রতি মানুষের আসক্তির বিষয়টি দেখানোর চেষ্টা করেছি। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে বই ও সাহিত্যের প্রতি আগ্রহী হওয়ার একটি বার্তাও রয়েছে। নির্মাণের সময় থেকেই মনে হয়েছিল, গল্পটি দর্শকের ভালো লাগবে। এখন দর্শকদের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়ে সত্যিই ভালো লাগছে।

গল্পকার আকবর হায়দার মুন্না মনে করেন, বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়াকে ঘিরে মানুষের এক ধরনের বাড়াবাড়ি ফ্যান্টাসি তৈরি হয়েছে, যা পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তিনি বলেন, মানুষ ধীরে ধীরে বই ও সাহিত্য থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এই বাস্তবতাকে কেন্দ্র করেই গল্পের ভাবনা তৈরি হয়েছে। দর্শক নাটকটি গ্রহণ করেছেন, এটাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

নাটকটি নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অভিনেতা খায়রুল বাসারও। তিনি বলেন, বই পোকা সত্যিই একটি ব্যতিক্রমধর্মী গল্পের নাটক। এর সংলাপগুলো দর্শকের হৃদয়ে পৌঁছাতে সক্ষম। এমন একটি কাজের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য পরিচালক তপু খানকে ধন্যবাদ।

অভিনেত্রী সাদনিমা বিনতে নোমানও নাটকটিকে নিজের ক্যারিয়ারের স্মরণীয় অভিজ্ঞতাগুলোর একটি বলে মনে করেন। তার ভাষায়, বই পোকাতে কাজ করার অভিজ্ঞতা দীর্ঘদিন মনে থাকবে। বিশেষ করে আমার চরিত্রটির প্রেমে আমি নিজেই পড়ে গিয়েছিলাম।

নাটকটিতে আরও অভিনয় করেছেন আজিজুল হাকিম, মুনীরা ইউসুফ মেমী, আব্দুল্লাহ রানা ও রোজি সিদ্দিকী। এছাড়া বিশেষ একটি চরিত্রে দেখা গেছে গুণী অভিনেতা তারিক আনাম খানকে।

আরও পড়ুন

×