জাপানে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি
ছবি: সমকাল
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৯:৪১
জাপানে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে ফিরে বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগাচ্ছেন তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি পেশাজীবী। জাপানের অ্যাসোসিয়েশন অব ওভারসিজ টেকনিক্যাল স্কলারশিপ অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট (এওটিএস)-এর মাধ্যমে তাঁরা বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।
সোমবার রাজধানীর গুলশান ক্লাবের ল্যামডা হলে বাংলাদেশ এওটিএস এলামনাই সোসাইটির (বাস) ৪০তম বার্ষিক সাধারণ সভায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। এতে সংগঠনের প্রায় ১৬০ জন সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথি অংশ নেন।
সভায় সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রম, গত অর্থবছরের অর্জন, সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ এওটিএস এলামনাই সোসাইটির সভাপতি ও শিল্পপতি হালিমুজ্জামান। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের মহাসচিব শেখ নিজাম উদ্দিন আহমেদ।
বার্ষিক সাধারণ সভায় এওটিএস বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মোয়াজ্জেম হোসেন উপস্থিত ছিলেন। দেশের বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী ও পেশাজীবী, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি), প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং সংগঠনের সদস্যরা এতে অংশ নেন।
জাপানে প্রশিক্ষণ
বাংলাদেশ এওটিএস এলামনাই সোসাইটি জাপানের এওটিএসের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দক্ষতা, প্রযুক্তি, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ে কাজ করছে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটির মাধ্যমে বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের পেশাজীবীরা জাপানে প্রশিক্ষণের সুযোগ পেয়েছেন।
সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি এওটিএসের মাধ্যমে জাপানে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। প্রশিক্ষণ শেষে দেশে ফিরে তাঁরা নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগাচ্ছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতেও তাঁরা ভূমিকা রাখছেন।
সংগঠনের মহাসচিব শেখ নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, এওটিএসের মাধ্যমে জাপানে প্রশিক্ষণ নেওয়া বাংলাদেশি পেশাজীবীরা দেশে ফিরে জাপানি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি, প্রযুক্তিগত জ্ঞান, দক্ষতা ও কাজের সংস্কৃতির অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আসছেন। এতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা বাড়ার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন খাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে সহায়তা হচ্ছে।