সুতা-কাপড় আমদানিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আগাম অনুমতি লাগবে না
ছবি: সমকাল
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৫:১৩
আমদানি নীতি আদেশ (আইপিও) সংশোধন করে রপ্তানিমুখী পোশাক প্রস্তুতকারকদের জন্য সুতা ও কাপড় আমদানিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আগাম অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে নিয়েছে সরকার। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নীতিমালার সংশোধনী জানিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের জন্য আমদানি প্রক্রিয়া সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত আগস্টে কার্যকর হওয়া নতুন আমদানি নীতি আদেশে সুতা ও কাপড় আমদানির ক্ষেত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আগাম অনুমতি নেওয়ার শর্ত যুক্ত করা হয়েছিল। শুরু থেকেই ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা এ বিধিনিষেধের সমালোচনা করে আসছিলেন। তাদের মতে, এ শর্ত ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ ব্যাহত করার পাশাপাশি উৎপাদন খরচও বাড়িয়ে দিচ্ছিল।
রপ্তানিকারকরা জানান, আমদানিকারকরা সময়মতো বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র সংগ্রহ করতে না পারায় পোশাক খাতের কাঁচামালের বেশ কিছু চালান বন্দরে এসে পৌঁছালেও সেগুলো খালাস করা সম্ভব হচ্ছিল না। আমদানি নীতি আদেশের এই সংশোধনের ফলে কাস্টমসের ছাড়পত্র ও পণ্য খালাসের প্রক্রিয়া দ্রুততর হবে এবং এ ধরনের জটিলতার অবসান হবে বলে আশা করছেন তারা।
বর্তমানে বাংলাদেশের নিটওয়্যার পোশাক প্রস্তুতকারকদের প্রয়োজনীয় সুতা ও কাপড়ের প্রায় ৮০ শতাংশ জোগান দেয় স্থানীয় টেক্সটাইল মিলগুলো। এই খাতের সম্পূর্ণ চাহিদা মেটানোর মতো উৎপাদন সক্ষমতাও তাদের রয়েছে বলে দাবি করা হয়।
অন্যদিকে, ওভেন পোশাক খাতের ক্ষেত্রে স্থানীয় টেক্সটাইল মিলগুলো প্রয়োজনীয় কাপড়ের প্রায় অর্ধেক চাহিদা পূরণ করতে পারে।
তবে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের নির্দিষ্ট ধরনের সুতার চাহিদা ও শর্ত পূরণ করতে অথবা বিশ্ববাজারে দামের পার্থক্যের সুযোগ নিয়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পোশাক রপ্তানিকারকরা মাঝেমধ্যে বিদেশ থেকে সুতা ও কাপড় আমদানি করে থাকেন।
- বিষয় :
- আমদানি
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়