সহকারী জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেন ইবির ১৯ শিক্ষার্থী
ফাইল ছবি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৩:২৬ | আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৩:৫০
১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এতে সহকারী জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন অনুষদের ১৯ শিক্ষার্থী। সারাদেশে মোট ২০০ জন এ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। গত বুধবার বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
সুপারিশপ্রাপ্ত ইবির ১৯ শিক্ষার্থী হলেন—আইন বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের আরিফুল ইসলাম; ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের আসিফ ইসলাম ও শফিক শোভন; ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাদিয়া আফরিন; ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের হুমায়ন কবির ও সালমা খাতুন; ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শারমিন খাতুন, শাকির আলম, মেহবুবা মোহিনী, রফিকুজ্জামান, আনোয়ার হোসেন ও ইয়াসমিন খাতুন; ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের লিখন এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের আমজাদ হোসেন।
এ ছাড়া ল অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের তৌহিদুল ইসলাম ও এ এইচ হাবিব, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের নুসরাত জাহান তানী, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রুকনুজ্জামান রায়হান এবং আল ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রাজু আহমেদ সহকারী জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
মেধাতালিকায় ২৪তম স্থানে রয়েছেন আইন বিভাগের শিক্ষার্থী শারমীন খাতুন। তিনি বলেন, শুরুতে বাচ্চা ও সংসার সামলে বিজেএসের প্রস্তুতির জন্য সময় বের করতে পারিনি। কিন্তু মনের জেদটা ছিল তীব্র। আর এই স্বপ্ন পূরণের পথে আমার স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির মানুষদের সবসময় পাশে পেয়েছি। উচ্চশিক্ষার প্রতি আমার আগ্রহকে সবসময়ই তারা উৎসাহ ও সহযোগিতা করেছেন।
মেধাতালিকায় ২৬তম স্থানে রয়েছেন আল ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগের রাজু আহমেদ। তিনি বলেন, অনার্সের রেজাল্ট প্রকাশ হওয়ার আগেই আমি আবেদন করেছিলাম। মাস্টার্স এখনও চলমান। আল্লাহ আমাকে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কিছু দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকেই আমার ইচ্ছা ছিল একদিন বিচারক হয়ে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য ন্যায়বিচারে কাজ করব।
- বিষয় :
- বিজেএস
- ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
- শিক্ষার্থী