ব্যাটারি ও চার্জে যেসব বিভ্রান্তি কাজ করে
আইসিটি ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৭:২৭
| প্রিন্ট সংস্করণ
সময়ের ডিজিটাল চাহিদা পূরণে আসছে একের পর এক স্মার্ট ডিভাইস। গ্যাজেটের সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয় হলো ব্যাটারি আর চার্জ। চলতি সময়ে এ দুটি বৈশিষ্ট্য সবার আগে গুরুত্ব পায়। অনেকে অভ্যাসের কারণে রাতে ঘুমানোর আগে ফোন চার্জে দিয়ে সকালে উঠে চার্জের পোর্ট বিচ্ছিন্ন করেন। এই চর্চা কমবেশি সবারই। এ ক্ষেত্রে অনেকের প্রশ্ন, ডিভাইসে শতভাগ চার্জ হয়ে যাওয়ার পর যদি কয়েক ঘণ্টা চার্জারে যুক্ত থেকে যায়, এতে কি ব্যাটারির ক্ষতি হয়? হালসময়ের স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে সদুত্তরটি আগের মতো সহজবোধ্য নয়। বর্তমানে অধিকাংশ স্মার্ট ডিভাইসে লিথিয়াম-পলিমার বা
লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়।
ফোনের ব্যাটারি শতভাগ চার্জে পৌঁছে গেলে চার্জিং সিস্টেম সাধারণত প্রধান চার্জ সিস্টেম বন্ধ করে একে সীমিত করে দেয়।
এর অর্থ গ্যাজেটের চার্জ শতভাগ হয়ে যাওয়ার পরও আগের মতো অবিরাম বিদ্যুৎ প্রবাহ সক্রিয় থাকে না। তাই শুধু রাতভর চার্জে রাখলেই ডিভাইস ওভারচার্জ হয়ে যায়–
সাধারণত এমনটা হয় না।
শতভাগ চার্জ হয়ে যাওয়ার পরও অনেকটা সময় বিদ্যুৎ সংযোগে থাকা ব্যাটারির জন্য একেবারে সুখকর নয়। ব্যাটারিকে অনেকটা সময় পূর্ণ চার্জ অবস্থায় রাখলে এর রাসায়নিক ক্ষয় হয় দ্রুত।
ফলে কিছুদিনের মধ্যে ব্যাটারির সক্ষমতা অনেকাংশ কমে যায়। তখন আগের তুলনায় দ্রুত চার্জ নিঃশেষ হওয়া শুরু হয়।
নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রা
সবচেয়ে জরুরি বিবেচ্য হলো তাপমাত্রা। চার্জ দেওয়ার সময় যে কোনো কারণে ডিভাইস অতিরিক্ত গরম হলে ব্যাটারির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়। অনেকে আবার বিছানার বালিশ, কাপড় বা কম্বলের নিচে ফোন রেখে চার্জ করলে তাপপ্রবাহে বাধা তৈরি হয়। এটি ডিভাইসের ভেতরের তাপ বাড়িয়ে দেয়। যে কোনো ডিভাইস চার্জ করার সময় সেটি সমান্তরাল ও উন্মুক্ত জায়গায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
চার্জে এখন নতুন ধারা
ব্যাটারির আয়ু বাড়াতে অনেক ফোনে এখন অপ্টিমাইজ চার্জিং, অ্যাডাপ্টিভ চার্জিং ও ব্যাটারি প্রটেকশনের মতো ফিচার আনা হয়েছে। ত্রিমাত্রিক এসব চার্জিং পরিষেবা অনেকের অভ্যাস বুঝে দীর্ঘ সময় শতভাগ চার্জ থেকে ডিভাইসকে স্বয়ংক্রিয় নিষ্ক্রিয় করে দেয়। এতে ডিভাইসের আয়ুষ্কাল অনেক বেড়ে যায়। ডিভাইস থাকে সুরক্ষিত।
- বিষয় :
- প্রযুক্তি