থাই রাজার সঙ্গীর ছবি প্রকাশের পর ওয়েবসাইট ক্র্যাশ!
×
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০১৯ | ০৮:০৯ | আপডেট: ২৯ আগস্ট ২০১৯ | ১০:১৩
কখনও গাঢ় সবুজের সামরিক পোশাক আবার কখনও চিরাচরিত পোশাকে। থাইল্যান্ড রাজার সঙ্গী সিনেনার্ট ওঙ্গভাজিরাপাকদির এমন নানা রূপ দেখতে রাজবাড়ির ওয়েবসাইটে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন দেশটির সাধারণ জনগণ। একইসঙ্গে অনেক মানুষ ছবিগুলো দেখার চেষ্টা করায় ওয়েবসাইটটি ক্র্যাশ করেছে।সম্প্রতি সিনেনার্টকে ‘চাও খুন ফ্রা’ উপাধি দিয়েছেন থাইরাজা মহা ভাজিরালঙ্গকর্ণ। এর অর্থ ‘থাই রাজার রাজকীয় সঙ্গী’। নিজের ৬৭তম জন্মদিনেই সিনেনার্টকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই উপাধি দিয়েছেন তিনি। খবর রয়টার্সের। গত জুলাইতে রাজকীয় সঙ্গী নির্বাচিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি নজিরও গড়েছেন সিনেনার্ট। গত এক শতকে তিনিই হলেন থাইল্যান্ডের প্রথম নারী, যিনি এই উপাধি পেয়েছেন।সিনেনার্ট আসলে থাইল্যান্ডের সামরিক বাহিনীর একজন মেজর জেনারেল। নার্স হিসেবেও এক সময় সে দেশের সেনাবাহিনীতে কাজ করেছেন। তবে এখন দেশটির রাজকীয় দেহরক্ষী হিসেবে দেশের রাজাকে রক্ষা করাই তার প্রধান কাজ। ২০১৭ থেকেই এ কাজ করছেন সিনেনার্ট।থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলীয় নান প্রদেশে ১৯৮৫ সালের ২৬ জানুয়ারিতে জন্ম সিনেনার্টের। পড়াশোনাও করেছেন সেখানেই। এরপর ২০০৮-এ রয়্যাল থাই আর্মি নার্সিং কলেজে ভর্তি হন। সেই কলেজ থেকেই স্নাতক পাস করেন।কলেজের পর বেশ কয়েকটি মিলিটারি স্কুলে সামরিক ট্রেনিং নেন সিনেনার্ট। ২০১৫ সালে জাঙ্গল ওয়ারফেয়ারে ফের স্নাতক করেন। সে বছর আকাশপথে যুদ্ধের একটি বিশেষ ট্রেনিংও নেন। দু’বছর পর সেনা কলেজ ও নৌসেনা স্কুল থেকে দুটি আলাদা কোর্স করেন। বিমানবাহিনী একাডেমি থেকে ফের স্নাতক হওয়ার পর বিমানচালনায় আরও দক্ষ হতে পাড়ি জমান জার্মানিতে।থাই রাজার সঙ্গে সিনেনার্টসিনেনার্টের যে ছবিগুলি দেখতে জনতা রাজকীয় ওয়েবসাইটে ভিড় করেছেন, তা গত সপ্তাহে প্রকাশিত হয়। থাইল্যান্ডের রাজার ৪৬ পাতার জীবনীতে ঠাঁই পেয়েছে ৩৪ বছরের সিনেনার্টের নানা রূপের মোট ৬০টি ছবি। তবে সে ছবি অনলাইনে দেওয়া হয়েছে সোমবার।এ সব ছবি দেখতে রাজকীয় ওয়েবসাইটে উৎসাহীদের ভিড় হলেও তা নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো কোনো কথা বলতে পারবেন না থাইল্যান্ডের আমজনতা।রাজবাড়ি বা তার সদস্যদের নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলায় কড়া নিষেধাজ্ঞা রয়েছে থাইল্যান্ডে। এমনকি, তাতে রাজার সম্মানহানি হলে অপরাধীর ১৫ বছরের কারাদণ্ডও হতে পারে।