ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আসামে আফ্রিকান সোয়াইন ফ্লুর হানা, মৃত ২৮০০ শূকর

আসামে আফ্রিকান সোয়াইন ফ্লুর হানা, মৃত ২৮০০ শূকর
×

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ মে ২০২০ | ০১:০৬

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের মধ্যেই ভারতের আসামে নতুন আরেক বিপদ দেখা দিয়েছে। আফ্রিকান সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে গত ফেব্রুয়ারি থেকে এ অঞ্চলের ৩০৬ টি গ্রামে ২ হাজার ৮০০ টি শূকরের মৃত্যু হয়েছে। রোববার রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর এনডিটিভির
ভারতে সোয়াইন ফ্লুর সংক্রমণের ঘটনা এটাই প্রথম। রাজ্য সরকারের অভিযোগ, নভেল করোনাভাইরাসের মতো এই রোগটিও চীন থেকে এসেছে। এর আগে ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে আফ্রিকান সোয়াইন ফ্লুতে চীনের ৬০ শতাংশ শূকেরের মৃত্যু হয়েছিল।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল, ভেটেরিনারি এবং বন বিভাগগুলোকে আফ্রিকান সোয়াইন ফ্লু থেকে রাজ্যের শূকরগুলো রক্ষা করতে ভারতীয় কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (আইসিএআর), জাতীয় শূকর গবেষণা কেন্দ্রের সঙ্গে মিলে একসঙ্গে কাজ করতে বলেছেন।
এদিকে আসামের পশুপালন ও পশুমন্ত্রী অতুল বোরো জানিয়েছেন, ভোপালের ‘ন্যাশনাল ইনস্টিউট অব হাই সিকিউরিটি অ্যানিমাল ডিজিজেস’থেকে ভাইরাসটিকে আফ্রিকান সোয়াইন ফ্লু হিসাবে নিশ্চিত করেছে। তিনি বলেন,‘আমরা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করছি যাতে শূকরদের হত্যা না করে অন্য কোনও উপায়ে তাদের বাঁচানো যায়।’ তিনি জানান, এই অসুখে শূকরদের মৃত্যুহার প্রায় একশো শতাংশ। তাই তারা এই ভাইরাসে সংক্রমিত না হওয়া শূকরদের বাঁচাতে কিছু কৌশল নিয়েছেন।
অতুল বোরো বলেন, আপাতত শূকরদের অন্য রাজ্যে না পাঠানোর জন্য সব রাজ্য সরকারকে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।  তিনি জানান, এই ভাইরাস শূকরের মাংস, লালা, রক্ত ও কোষ থেকে ছড়ায়। তাই জেলা থেকে জেলায়  শূকর সরবরাহ বন্ধ করা হয়েছে।
১৯২১ সালে কেনিয়া এবং ইথিওপিয়াতে প্রথম আফ্রিকান সোয়াইন ফ্লুর প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। তবে সেটা খুব বেশি মারাত্মক ছিল না।
ভোপালের ‘ন্যাশনাল ইনস্টিউট অব হাই সিকিউরিটি অ্যানিমাল ডিজিজেস’ এর ২০১৯ সালের হিসাব অনুযায়ী আসামে শূকরের সংখ্যা ছিল ২১ লাখ। তবে বর্তমানে তা বেড়ে ৩০ লাখে দাঁড়িয়েছে।


আরও পড়ুন

×