নির্বাচন কমিশন তুঘলকি কর্মকাণ্ডে লিপ্ত: জেএসডি

প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২০   

সমকাল প্রতিবেদক

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-(জেএসডি) বলেছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ একটি ঐতিহাসিক দলিল।কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই এতে পরিবর্তন করার প্রস্তাব এবং প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা বিলোপ করে আইনের খসড়া তৈরি করায় প্রমাণ হয়েছে নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক দায়িত্বের বাইরে তুঘলকি কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত।

শুক্রবার জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ছানোয়ার হোসেন তালুকদার এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠানের পদ-পদবির নাম পরিবর্তন, ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের নাম বদল এবং প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করার প্রশ্নসহ নির্বাচন কমিশনের কর্মকাণ্ডে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠানের পদ-পদবির নাম পরিবর্তন করার প্রস্তাব কোনো ক্রমেই নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার নয়। 

দীর্ঘদিন ধরে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং অতি পরিচিত 'ইউনিয়ন', 'চেয়ারম্যান', 'মেয়র' ইত্যাদি শব্দগুলো পরিবর্তন করার কোনো দাবি জনগণ থেকে উত্থাপিত হয়নি; তবু নির্বাচন কমিশন এগুলো পরিবর্তন করার প্রস্তাব উত্থাপন করছে। বাংলা ভাষা থেকে বিদেশি শব্দ অপসারণ করা যেমন নির্বাচন কমিশনের কাজ নয়, তেমনি ভাষার প্রশ্নে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের উপযুক্ত প্রতিষ্ঠানও নির্বাচন কমিশন নয়।

তারা বলেন, প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা সরাসরি নির্বাচন কমিশনের হাতে থাকার পরও সে ক্ষমতা সরিয়ে ফেলার প্রস্তাবে প্রমাণ হয় নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে নিজেকে অযোগ্য করে তুলছে। নির্বাচন কমিশন আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করছে, একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হওয়ার কোনো প্রচেষ্টা কমিশনের নেই।