২০১৫ সালে প্রবর্তিত 'এক্সিম ব্যাংক-অন্যদিন হুমায়ূন আহমেদ সাহিত্য পুরস্কার ২০২০' পেয়েছেন দু'জন কথাশিল্পী। সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য জ্যেষ্ঠ কথাশিল্পী হাসনাত আবদুল হাই এবং নবীন সাহিত্য শ্রেণিতে (অনূর্ধ্ব চল্লিশ) নাহিদা নাহিদ। তারা পুরস্কার হিসেবে পাবেন যথাক্রমে পাঁচ লাখ এবং এক লাখ টাকা। এছাড়া দেওয়া হবে ক্রেস্ট, উত্তরীয় এবং সার্টিফিকেট।

২০১৫ সালে এই দুটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছিলেন শওকত আলী ও সাদিয়া মাহ্‌জাবীন ইমাম। ২০১৬ সালে পুরস্কৃত হয়েছিলেন হাসান আজিজুল হক ও স্বকৃত নোমান। ২০১৭ সালে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়েছিল জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত ও মোজাফ্‌ফর হোসেনের হাতে। ২০১৮ সালে পুরস্কৃত হয়েছিলেন রিজিয়া রহমান ও ফাতিমা রুমি। ২০১৯ সালে পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল রাবেয়া খাতুন ও সাদাত হোসাইনকে।

আগামী ১২ নভেম্বর বিকেলে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে হাসনাত আবদুল হাই ও নাহিদা নাহিদের হাতে।

হাসনাত আবদুল হাই ছয় দশক ধরে লিখছেন। তার জন্ম ১৯৩৭ সালের ১৭ মে, কলকাতায়। বাবা আবুল ফতেহ। মা আয়েশা সিদ্দিকা। পৈতৃক নিবাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার সৈয়দাবাদ গ্রামে।

হাসনাত আবদুল হাইয়ের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হচ্ছে- আমার আততায়ী (১৯৮০), তিমি (১৯৮১), মহাপুরুষ (১৯৮৬), সুলতান (১৯৯১), মোরেলগঞ্জ সংবাদ (১৯৯৫), নভেরা (১৯৯৫), বাইরে একজন (১৯৯৫), হাসান ইদানীং (১৯৯৫), সোয়ালো (১৯৯৬), ইন্টারভিউ (১৯৯৭), সিকস্তি (১৯৯৭), লড়াকু পটুয়া (২০১০), পানেছার বানুর নকশীকাঁথা (২০১০)।

অন্যদিকে, প্রতিশ্রুতিশীল এক গল্পকার নাহিদা নাহিদ। জন্ম ১৯৮৩ সালের ৫ জানুয়ারি, চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী গ্রামে। বাবা আবদুল মজিদ দেওয়ান। মা ইয়ারন নেছা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর।

নাহিদা নাহিদের লেখালেখির সূচনা দৈনিক ভোরের কাগজে প্রকাশিত 'নারকেল পাতার চশমা' শিরোনামে ছোটগল্প দিয়ে। প্রথম গল্পগ্রন্থ 'অলকার ফুল' (২০১৭)। এরপর প্রকাশিত হয়েছে আরও দুটি গল্পগ্রন্থ-'যূথচারী আঁধারের গল্প' (২০১৮) এবং 'পুরুষপাঠ' (২০১৯)।