অ্যাডিলেডে আইসোলেশনে থাকতে হবে কোহলিদের!
ফাইল ছবি
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২০ | ২২:২২ | আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০২০ | ২২:২৪
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনই থমকে আছে। বাতিল বা স্থগিত হচ্ছে একের পর এক লিগ, টুর্নামেন্ট, দ্বিপক্ষীয় সিরিজ। তবে এ বছর অক্টোবর-নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় হতে যাওয়া টি২০ বিশ্বকাপ এখনও বাতিল হয়নি। বাতিল হয়নি ভারতের অস্ট্রেলিয়া সফরও। অবশ্য কভিড-১৯-এর যে দাপট চলছে তাতে এসব নিয়ে খুব একটা আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না। তাই বলে বসে নেই ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া, এই মহামারির মধ্যেই প্রস্তুতি কিন্তু অব্যাহত রেখেছে তারা। এমনকি করোনাভাইরাসের বিষয়টি মাথায় রেখেই তারা এগিয়ে চলছে। এই যেমন কোহলি-রোহিতদের অস্ট্রেলিয়া সফর যদি সূচি অনুযায়ী হয়, তাহলে তাদের সেখানে পা দিয়েই ১৪ দিনের আবশ্যক সেলফ আইসোলেশনে থাকতে হবে। আর কোহলিদের কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হিসেবে অ্যাডিলেডের নবনির্মিত বিলাশবহুল একটি হোটেলকে এখনি ঠিক করে ফেলা হয়েছে।
'দ্য এজ' পত্রিকার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, কোহলিদের আইসোলেশনে রাখার জায়গা চূড়ান্ত করার জন্য এরই মধ্যে সাউথ অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান কিথ ব্রাড'শ বৈঠক করেছেন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার বস কেভিন রবার্টের সঙ্গে। ৪২ মিলিয়ন ডলারে বানানো অ্যাডিলেডের হোটেলে তাদের ১৪ দিন রাখার ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন তারা।
তবে এ ১৪ দিনের আবশ্যিক আইসোলেশনে থাকার সময় নানা ধরনের সমস্যায় পড়তে পারেন সফরকারি দলের ক্রিকেটাররা। যেমন ভারতীয় দল যদি ১৪ দিন হোটেল রুমে আবদ্ধ হয়ে থাকে, তাহলে সেখানকার কন্ডিশনের সঙ্গে তাদের মানিয়ে নেওয়া হবে না, ব্যাট-বলে অনুশীলন করতে না পারায় ফর্ম ও ফিটনেসেও ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এ বিষয়গুলো বেশ ভালোমতোই মাথায় রাখছেন স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার কর্তারা। অ্যাডিলেড ওভালের পাশেই ১৩৮ কামরার ওই হোটেলটিতে অনুশীলনের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা রাখা হচ্ছে। সেখানে কয়েকটি নেট রয়েছে, সেখানে ভারতীয় ক্রিকেটাররা আইসোলেশনের সময়ে অনুশীলন করতে পারবেন। এ ছাড়া অত্যাধুনিক জিম সংবলিত ফিটনেস সেন্টার তো রয়েছেই। আগামী সেপ্টেম্বরে হোটেলেটি উদ্বোধন হবে।
গত মার্চের মাঝামাঝি থেকে কনোরাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রুখতে নিজেদের সীমান্ত সিল করে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সম্ভবত আরও বেশ কিছুদিন বলবৎ থাকবে। তাই বেশ কিছু সিরিজ বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড। ১৮ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া টি২০ বিশ্বকাপও রয়েছে হুমকিতে। টি২০ বিশ্বকাপের সঙ্গে যদি ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজও বাতিল হয়, তাহলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ডকে। টিভি স্বত্ব থেকেই তারা ৩০০ মিলিয়ন ডলার রাজস্ব হারাবে।