ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এনসিএল খেলতে হলে ৭ মিনিটে দৌড়াতে হবে ১৬০০ মিটার

এনসিএল খেলতে হলে ৭ মিনিটে দৌড়াতে হবে ১৬০০ মিটার
×

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৩:৩১ | আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৩:৪০

জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) খেলার জন্য ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে ক্রিকেটারদের। আজ মঙ্গলবার ও আগামীকাল বুধবার ঢাকা স্টেডিয়ামে হবে তাদের ফিটনেস টেস্ট। এনসিএলে অংশগ্রহণকারী আটটি বিভাগ থেকে সাড়ে তিনশ ক্রিকেটার ফিটনেস টেস্টে অংশগ্রহণ করতে পারেন বলে জানা গেছে। ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের নিয়ে গড়া হবে এনসিএল প্রথম ও দ্বিতীয় একাদশের দল। তবে ফিটনেস টেস্ট খুব কঠিন রাখা হয়নি। অ্যাথলেটিকস ট্র্যাকে ১৬০০ মিটার দৌড়াতে হবে ক্রিকেটারদের। এই দৌড়ে সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। পেস বোলারদের সাত মিনিটে আর বাকি ক্রিকেটারদের জন্য সাত মিনিট ২০ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করতে হবে।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ম্যাচ ফি বাড়ানো হয়েছে চলতি বছর থেকে। ৭০ হাজার থেকে বাড়িয়ে দেড় লাখ টাকা করেছেন বর্তমান সভাপতি তামিম ইকবাল। সুযোগ-সুবিধাও বেড়েছে কিছু কিছু ক্ষেত্রে। ক্রিকেট সংস্কৃতি গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বোর্ডের পক্ষ থেকে। বিনিময়ে ক্রিকেটারদের কাছ থেকে পেশাদারিত্ব চেয়েছেন তামিম। পেশাদারিত্বের প্রথম ধাপ ফিটনেস টেস্ট। 

বিসিবি সভাপতির নির্দেশনায় গাইডলাইনে ফিটনেস পরীক্ষায় পাস করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে। টেস্টে ফেল ক্রিকেটাররা ৩ অক্টোবর থেকে অনুষ্ঠেয় এনসিএলে খেলার সুযোগ পাবেন না। বিসিবির একজন কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, ‘একটা গাইডলাইন থাকা জরুরি। বর্তমান সভাপতির নির্দেশে সেই গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে। এ বছর নিয়ম কিছুটা শিথিল রাখা হলেও আগামী বছর থেকে এটি কঠিন হবে। এ বছর প্রথমে কেউ ফেল করলে ১০ দিন পর দ্বিতীয়বার টেস্ট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। দ্বিতীয়বার ফেল করলে তৃতীয় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকবে ১০ দিন পর। ততো দিনে হয়তো লিগের খেলা শেষ হয়ে যাবে।’ আজ সকাল সাড়ে ৬টায় ফিটনেস টেস্ট শুরু। ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের ক্রিকেটারদের টেস্ট নেওয়া হবে। কাল ময়মনসিংহ, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগের ক্রিকেটারদের টেস্ট।

বিসিবির এক সূত্র জানায়, স্ট্রেন্থ অ্যান্ড কন্ডিশনিং বিভাগের অধীনে বছরে দুবার করে লিস্ট-এ’ আর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারদের ফিটনেস টেস্ট দেওয়ার নিয়ম করা হচ্ছে। আগামী বছর থেকে পেসারদের জন্য ছয় মিনিট ৪০ সেকেন্ড, বাকিদের জন্য সাত মিনিট সময় বেঁধে দেওয়া হতে পারে ১৬০০ মিটার দৌড় সম্পন্ন করার জন্য। প্রথম শ্রেণিতে চুক্তিতে থাকা ক্রিকেটার ফেল করলে বেতন বন্ধ করে দেওয়া হবে। ২০২৭ সাল থেকে ফিটনেসে ফেল করাদের দ্বিতীয়বার সুযোগ দেওয়া হবে না। এই নিয়ম জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের জন্যও কার্যকর করা হবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

×