অসহায়দের আনন্দ দেওয়ার 'হাট'
সিঁদুর, আলতা থেকে পূজার পদ্ম- কী ছিল না 'হাটে'! সারিবদ্ধভাবে একে একে সবাই পছন্দসই জিনিস নিয়ে যাচ্ছেন দোকান থেকে। এ জন্য দিতে হয় না কোনো টাকা। নতুন পোশাক, প্রসাধনী, শেষে লাড্ডু আর বেলুন হাতে বাড়ি যায় শিশুরা। দুর্গাপূজায় অসহায় নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে দিতে দু'দিনব্যাপী ব্যতিক্রমী এ হাটের আয়োজন করে 'মুক্তিরবন্ধন ফাউন্ডেশন' নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার আঠারবাড়ি ইউনিয়নের খালবলা শিবমন্দিরে 'পূজার ফ্রি হাট' নামে এ আয়োজন করা হয়।
বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেই শনিবার শতাধিক অসহায় মানুষ মন্দির প্রাঙ্গণে হাজির হয়। পূর্ব থেকে নির্বাচিত শিশু, বৃদ্ধসহ নানা বয়সী মানুষ আসে এখানে। মন্দির চত্বরে একদিকে দুর্গা প্রতিমার মণ্ডপ। মণ্ডপের কাছাকাছি জায়গায় প্যান্ডেল করে বানানো হয়েছে স্টল। তিনটি স্টলের প্রথমটিতে নারিকেল, পদ্মফুল; দ্বিতীয়টিতে নতুন পোশাক, আলতা, সিঁদুর, মাথার ব্যান্ড, চুরিসহ নানা প্রসাধনী। তার পাশের স্টলে লাড্ডু আর বাহারি বেলুন। নতুন পোশাক আর প্রসাধনীতে আনন্দ ভোগ করার জন্য সকাল থেকেই জড়ো হতে থাকে সংগঠনটির কর্মীদের মাধ্যমে নির্বাচিত অসহায় শিশু ও নানা বয়সী মানুষ। আয়োজক 'মুক্তিরবন্ধন ফাউন্ডেশন' দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে নানা কাজ করায় সর্বমহলে সমাদৃত।
গতকাল দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ব্যতিক্রমী আয়োজনের সূচনা করতে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন। ঝিরিঝিরি বৃষ্টির মধ্যেই সুশৃঙ্খলভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে একে একে প্রয়োজনীয় জিনিস নিতে শুরু করে সবাই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেশ কয়েকজন শিশুকে জামা ও অন্যান্য জিনিস তুলে দেন। শনিবার ১০০ অসহায় শিশু ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে নতুন পোশাকসহ অন্যান্য সামগ্রী দেওয়া হয় এই হাট থেকে। আজ রোববার দেওয়া হবে আরও ১০০ জনকে।
নতুন পোশাক, চুরি, আলতা আর বাহারি বেলুন পেয়ে খুশি মনে বাড়ি ফেরে ছোট্ট শিশুরা। নতুন শাড়ি-লুঙ্গি, আলতা, সিঁদুর আর নারিকেল-পদ্ম নিয়ে বয়স্ক নারী-পুরুষও খুশি মনে ফিরে যান ঘরে। শিশু পুষ্প বর্মণ, জয়া রায়, অজয় রাজভর ও জয় রাজভর জানায়, তাদের পারিবারিক অবস্থা ভালো না থাকায় পূজায় কিছু কিনে দেয়নি বাবা। তবে এখানে নতুন জামা, সাজের জিনিস পেয়ে তারা খুব খুশি। বৃদ্ধ ধীরেন্দ্র ঋষি ও অঞ্জলি রায় বলেন, তারা খুব গরিব। নতুন কিছু কিনবেন, সে সামর্থ্য নেই। তবে এই হাটে এসে তারা নতুন পোশাক, পূজার জিনিস পেয়েছেন। সংগঠনটির কর্মসূচি ব্যবস্থাপক অনিক কুমার নন্দী বলেন, অসহায় হতদরিদ্র সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবারের সদস্যদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্যই পূজার এই ফ্রি হাট।
মুক্তিরবন্ধন ফাউন্ডেশনের অর্থ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম পলাশ বলেন, পুজার ফ্রি হাটে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৭০ হাজার টাকা। সমাজের মানবিক ব্যক্তিত্ব ও সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীদের মাসিক চাঁদা থেকে সংগঠনটি পরিচালিত হয়। ২০১৫ সাল থেকেই অসহায় মানুষের পাশে থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করছে তাদের সংগঠন। তিনি আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য অসহায় মানুষদের স্বাবলম্বী করা। এ ছাড়া উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি হচ্ছে পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ।
ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, সংগঠনটি সব সময় নিবিড়ভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করে। তারা পূজায় যেমন ফ্রি হাট বসিয়েছে, বিগত ঈদেও ফ্রি হাট বসিয়ে মানুষকে সামগ্রী দিয়েছে। সংগঠনটির অসহায় ও গরিবদের মাঝে আনন্দ বিলানো কার্যক্রম প্রশংসনীয়।
বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেই শনিবার শতাধিক অসহায় মানুষ মন্দির প্রাঙ্গণে হাজির হয়। পূর্ব থেকে নির্বাচিত শিশু, বৃদ্ধসহ নানা বয়সী মানুষ আসে এখানে। মন্দির চত্বরে একদিকে দুর্গা প্রতিমার মণ্ডপ। মণ্ডপের কাছাকাছি জায়গায় প্যান্ডেল করে বানানো হয়েছে স্টল। তিনটি স্টলের প্রথমটিতে নারিকেল, পদ্মফুল; দ্বিতীয়টিতে নতুন পোশাক, আলতা, সিঁদুর, মাথার ব্যান্ড, চুরিসহ নানা প্রসাধনী। তার পাশের স্টলে লাড্ডু আর বাহারি বেলুন। নতুন পোশাক আর প্রসাধনীতে আনন্দ ভোগ করার জন্য সকাল থেকেই জড়ো হতে থাকে সংগঠনটির কর্মীদের মাধ্যমে নির্বাচিত অসহায় শিশু ও নানা বয়সী মানুষ। আয়োজক 'মুক্তিরবন্ধন ফাউন্ডেশন' দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে নানা কাজ করায় সর্বমহলে সমাদৃত।
গতকাল দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ব্যতিক্রমী আয়োজনের সূচনা করতে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন। ঝিরিঝিরি বৃষ্টির মধ্যেই সুশৃঙ্খলভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে একে একে প্রয়োজনীয় জিনিস নিতে শুরু করে সবাই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেশ কয়েকজন শিশুকে জামা ও অন্যান্য জিনিস তুলে দেন। শনিবার ১০০ অসহায় শিশু ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে নতুন পোশাকসহ অন্যান্য সামগ্রী দেওয়া হয় এই হাট থেকে। আজ রোববার দেওয়া হবে আরও ১০০ জনকে।
নতুন পোশাক, চুরি, আলতা আর বাহারি বেলুন পেয়ে খুশি মনে বাড়ি ফেরে ছোট্ট শিশুরা। নতুন শাড়ি-লুঙ্গি, আলতা, সিঁদুর আর নারিকেল-পদ্ম নিয়ে বয়স্ক নারী-পুরুষও খুশি মনে ফিরে যান ঘরে। শিশু পুষ্প বর্মণ, জয়া রায়, অজয় রাজভর ও জয় রাজভর জানায়, তাদের পারিবারিক অবস্থা ভালো না থাকায় পূজায় কিছু কিনে দেয়নি বাবা। তবে এখানে নতুন জামা, সাজের জিনিস পেয়ে তারা খুব খুশি। বৃদ্ধ ধীরেন্দ্র ঋষি ও অঞ্জলি রায় বলেন, তারা খুব গরিব। নতুন কিছু কিনবেন, সে সামর্থ্য নেই। তবে এই হাটে এসে তারা নতুন পোশাক, পূজার জিনিস পেয়েছেন। সংগঠনটির কর্মসূচি ব্যবস্থাপক অনিক কুমার নন্দী বলেন, অসহায় হতদরিদ্র সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবারের সদস্যদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্যই পূজার এই ফ্রি হাট।
মুক্তিরবন্ধন ফাউন্ডেশনের অর্থ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম পলাশ বলেন, পুজার ফ্রি হাটে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৭০ হাজার টাকা। সমাজের মানবিক ব্যক্তিত্ব ও সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীদের মাসিক চাঁদা থেকে সংগঠনটি পরিচালিত হয়। ২০১৫ সাল থেকেই অসহায় মানুষের পাশে থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করছে তাদের সংগঠন। তিনি আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য অসহায় মানুষদের স্বাবলম্বী করা। এ ছাড়া উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি হচ্ছে পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ।
ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, সংগঠনটি সব সময় নিবিড়ভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করে। তারা পূজায় যেমন ফ্রি হাট বসিয়েছে, বিগত ঈদেও ফ্রি হাট বসিয়ে মানুষকে সামগ্রী দিয়েছে। সংগঠনটির অসহায় ও গরিবদের মাঝে আনন্দ বিলানো কার্যক্রম প্রশংসনীয়।
